উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) লোহাগাড়া উপজেলা শাখার ত্রিবার্ষিক নির্বাচন। এতে শত ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কৃষ্ণ রঞ্জন নাথ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন শহিদুল ইসলাম চৌধুরী।
শনিবার (১৬ মে) লোহাগাড়া উপজেলার মর্ডান কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ১০টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা চলে ভোটগ্রহণ।
এদিকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা জুয়েলার্স সমিতির সহসভাপতি খোকন ধর, প্রদীপ গুহ ও সুজিত ধর, যুগ্ম সম্পাদক মিনানাথ ধর ও সুমন ধর এবং অর্থ সম্পাদক শম্ভু ধর।
ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে প্রীতি জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী কৃষ্ণ রঞ্জন নাথ ১০০ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঝন্টু নাথ পান ৫৮ ভোট।
শাহ রশিদিয়া জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম চৌধুরী ৮৫ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বোগদাদ জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী এস এম মুরশেদুল আলম পান ৭২ ভোট।
আলহেরা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী মো. ফারুক ৮৪ ভোট এবং শাহ্ আমানত জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী খোরশেদুল আলম ৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সহসভাপতি। তাঁদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমজম জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী আবুল বাশার পান ৭৯ ভোট।
সহসাধারণ সম্পাদক পদে ৮৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন পদুয়ার নিউ আলো আজমীর জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী সঞ্জয় হাজারি সানি ও নিউ মদিনা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী রূপন ধর। তাঁদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পুটিবিলা এমচর হাটের বার আউলিয়া জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী সাবুল নাথ ৫৯ ভোট এবং পদুয়া রূপ ফ্যাশন জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী সানু ধর পান ৫১ ভোট।
অর্থ সম্পাদক পদে শত ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন পদুয়ার নিউ ফ্যাশন জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী স্বপন কান্তি ধর। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আল্ মাওয়া জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী আনোয়ার হোসেন পান ৫৬ ভোট।
৮৮ ভোট পেয়ে সহঅর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন পদুয়া সি আর ডি জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী শুভাশিষ ধর। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আল মক্কা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী হাসান মোহাম্মদ মিনার পান ৬৮ ভোট।
এছাড়া কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হন— বৈশাখী জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী জয় ধর, মৌসুমী জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী কৃষ্ণপদ ধর, পদুয়া দয়াময় জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী মিন্টু দাশ, পুটিবিলা তিশা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী অতিনন্দ নাথ, পদুয়ার নিউ বার আউলিয়া জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী অন্তিম ধর অর্ঘ্য, স্বপ্না জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী জুয়েল কান্তি নাথ এবং সোমা গোল্ডের স্বত্বাধিকারী মিশু ধর।
নির্বাচন কমিশনার মাস্টার নারায়ন চন্দ্র ধরের নেতৃত্বে সফল নির্বাচন সম্পন্নে সহায়তা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিনিয়র সদস্য নেছার আহমদ, সদস্য সন্তোষ কুমার ধর, নাজিম উদ্দিন, সুজন ধর, কণক ধর ও কামাল হোসেন।
নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন বার আউলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষক মো. আইয়ুব আলি খান। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ছিলেন দক্ষিণ সাতকানিয়া গোলামবারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হারুনুর রশিদ। পোলিং এজেন্ট ছিলেন দক্ষিণ সুখছড়ি শাহ সাহেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রিয়াজ উদ্দিন।
যোগাযোগ করা হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মাস্টার নারায়ন চন্দ্র ধর আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, আমাদের মোট ১৬০ জন ভোটারের মধ্যে ১৫৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সম্পন্ন করতে নির্বাচন পরিচালনা পর্ষদ কঠোর অবস্থানে ছিল। নির্বাচনে লোহাগাড়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মী, বটতলী শহর পরিচালনা কমিটির নেতা, রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত চট্টগ্রাম


