ঘুম থেকে উঠে দেখেন স্বামী নেই, পাশের রুমে ঝুলছে লাশ

পটিয়ার ভাড়া বাসা থেকে আল মামুন নামে (২৯) এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ জুন) সকাল ৯টার দিকে পৌর এলাকার গৌবিন্দারখীল থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

আল মামুন যশোর জেলার মনিরামপুর থানার চাপা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হানোয়ার পূর্ব গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গৌবিন্দারখীল এলাকার বজল সওদাগরের বাড়ির ফরিদুল আলমের মালিকানাধীন ভবনের নিচতলায় ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। তিনি পটিয়ায় একটি বেসরকারি কীটনাশক কোম্পানিতে মার্কেটিংয়ের চাকরি করতেন। স্ত্রীসহ তার ৫ বছরের এক সন্তান রয়েছে।

আরও পড়ুন : পুকুরে ভাসছিল লাদেনের লাশ

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে মামুন তার স্ত্রী ও ছেলেসহ ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন শনিবার সকাল সাড়ে ছয়টায় স্ত্রীর ঘুম ভাঙলে তিনি দেখেন মামুন তার পাশে নেই এবং তাদের রুমের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। এ সময় মামুনের মোবাইলে কয়েকবার কল দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে এক প্রতিবেশীকে কল দিয়ে তাদের ঘরে আসতে বলেন। এ সময় প্রতিবেশী এসে দেখেন মামুন অন্য একটি রুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে।

স্থানীয়রা জানায়, আজ সকালে ভবনের পাশের রুমের ভাড়াটিয়ারা দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করেন। এ সময় কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় মামুনের লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকলে কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে পটিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টির তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এলে আরও স্পষ্ট হবে। পরিবারের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm