আবার রক্তাক্ত লোহাগাড়া। বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এবার লাশ নারী-শিশুসহ ১০ জন। এদের মধ্যে ঘটনাস্থলে ৭ জন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া এ ঘটনায় চিকিৎসাধীন আছেন আরও দুইজন।
বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় মিললেও বাকিদের পাওয়া যায়নি।
হাসপাতালে মারা যাওয়ারা হলেন-সাধনা মণ্ডল, দিলীপ বিশ্বাস ও অর্ক বিশ্বাস।
পুলিশ. ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে ৩ জন নারী, ৫ জন পুরুষ ও দুইজন শিশু। এদের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইজন ও লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়। আহত এক শিশু ও এক তরুণী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আরও পড়ুন : চট্টগ্রামে ঈদের দিনে হারিয়ে গেল ৫ প্রাণ
জানা যায়, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কক্সবাজার অভিমূখী একটি রিলাক্স পরিবহনের যাত্রীবাহি বাসের সঙ্গে কক্সবাজারগামী একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই লোহাগাড়া থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিম উদ্ধার কাজ চালিয়ে আহতদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।

এর আগে জাঙ্গালিয়া এলাকায় ঈদের দিন (৩১ মার্চ) সকালে দুই বাসের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়।
এ বিষয়ে লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী, একজন কন্যাশিশু ও ৪ জন পুরুষ। আহত তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে নিহতদের লাশ দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মতিন বলেন, চট্টগ্রামমুখী রিল্যাক্স পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে কক্সবাজারগামী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে শিশুসহ সাতজন নিহত হয়। এছাড়া হাসপাতালে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়ে ১০ জনে। হাসপাতালে নিহত তিনজনের পরিচয় মিলেছে। বাকিদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে থেকে মাইক্রোবাস চালকের মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।
আরবি/আলোকিত চট্টগ্রাম


