চট্টগ্রামে পিপলস হাসপাতাল লিমিটেড, সার্জিস্কোপসহ ৫ হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. ইলিয়াছ চৌধুরীর নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নানা অসঙ্গতি ধরা পড়ায় দুটি হাসপাতালকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মৌখিকভাবে যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন সিভিল সার্জন।
অভিযান চালানো প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- পিপলস হাসপাতাল লিমিটেড, ইগলস আই ডায়াগনস্টিক, মিরর হসপিটাল, ফ্যামিলি হেলথ কেয়ার ও সার্জিস্কোপ হসপিটাল লিমিটেড।
আরও পড়ুন : রাউজানে বিশেষ অভিযানে ধরা খেল লুকিয়ে থাকা ১০ আসামি
জানা গেছে, হাসপাতালের লাইসেন্স না থাকা, অপরিষ্কার পরিবেশ, অপারেশন থিয়েটারের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রশিক্ষিত নার্সের স্বল্পতা, জরুরি বিভাগ না থাকাসহ বিভিন্ন অভিযোগে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মৌখিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডা. মো. ইলিয়াছ চৌধুরী জানান, পাঁচলাইশের পিপলস হাসপাতাল লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অপারেশন থিয়েটারের নোংরা পরিবেশ, মেয়াদ উত্তীর্ণ ইনজেকশন ব্যবহার, অপারেশন থিয়েটারের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রশিক্ষিত নার্সের স্বল্পতার কারণে হাসপাতালটিকে যাবতীয় ঘাটতি পূরণ করার জন্য আগামী ১০ দিনের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে৷ উল্লেখিত ১০ দিন হাসপাতালের সমস্ত ওটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পাঁচলাইশের ইগলস আই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাবতীয় নথিপত্রাদি এবং অন্যান্য সেবা কার্যক্রম যথাযথ থাকলেও কালেকশন রুমে ২ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্টের (ল্যাব) মধ্যে একজন ডিপ্লোমাধারী না হওয়ায় আরও একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নগরের পাঁচলাইশ এলাকার মিরর হাসপাতালে নোংরা অপারেশন থিয়েটার, জরুরি বিভাগ না থাকাসহ নানা অনিয়মের কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হাসপাতালের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিভিল সার্জন বলেন, পাঁচলাইশের ফ্যামিলি হেলথ কেয়ার হাসপাতালে গিয়ে এক্স-রে রুম ছোট দেখা যায়৷ এসময় হাসপাতালটিকে এক্স-রে রুম বড় করার নির্দেশ দেওয়া হয়৷ এছাড়া পাঁচলাইশের সার্জিস্কোপ হাসপাতালকেও জরুরি বিভাগ আরও বড় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷
এআইটি/এসআর


