ইয়াবাসহ দুই তরুণকে ধরেছিল এলাকাবাসী। এরপর তাদের তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। কিন্তু পুলিশ তাদের আদালতে পাঠিয়েছে রাজনৈতিক মামলা দিয়ে! এমনই অভিযোগ উঠেছে চন্দনাইশ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
শনিবার (১ আগস্ট) রাতে উপজেলার বরকল ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকায় মোহাম্মদ জামসেদ আলম (২২) ও মেহেদী হাসান সিফাত (২৩) নামে দুই যুবককে ইয়াবা সেবনের সময় আটক করেন স্থানীয়রা। তারা দুজন একই এলাকার কামাল উদ্দিনের ছেলে।
ওইদিন স্থানীয়রা তাদের থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। মামলা দিয়ে ২ আগস্ট তাদের চট্টগ্রাম আদালতে পাঠিয়ে দেয় থানা পুলিশ।
সূত্র বলছে, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখল ও সহিংসতার মামলায় ওই দুই যুবককে চালান করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে এলডিপির প্রার্থী কর্নেল অলি আহমেদের লোকজনকে মারধর, নৌকা প্রতীকে ভোট কারচুপি এবং দেশীয় অস্ত্র হাতে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ আনা হয়।
অথচ বরকল ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার স্থানীয়রা ইয়াবাসহ তাদের ধরে চন্দনাইশ থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, ইয়াবা সেবনকালে দুইজনকে ধরে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। পরে শুনতে পাই, তাদের রাজনৈতিক মামলা দেওয়া হয়েছে। অথচ তারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার। তিনি আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, তারা রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছে। মাদক-সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয় নয়।
এআর/আলোকিত চট্টগ্রাম


