বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রামে আজ (২১ ডিসেম্বর) সকালে সূর্যের আলো দেখা যায়নি। আকাশ ছিল মেঘলা। হঠাৎ সন্ধ্যা থেকে নগরে শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এসময় দুর্ভোগে পড়েন রাস্তায় বের হওয়া সাধারণ মানুষ। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন : চট্টগ্রামে শীতের শুরুতেই বাহারি পিঠা বেচার ধুম, দাম বেশি
আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে— পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১২২০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ঘণ্টায় ৫০কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এর আগে শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামসহ দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃষ্টি ঝরার সম্ভাবনা রয়েছে তিনদিন। আর এ বৃষ্টি বাড়াবে শীতের তীব্রতা।
এ বিষয়ে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ ও পূর্বাভাস কর্মকর্তা উজ্জ্বল কান্তি পাল বলেন, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় চট্টগ্রামে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ঝরছে। বৃষ্টির পরই শীতের তীব্রতা বাড়বে। তাপমাত্রাও কমে আসবে। তবে চট্টগ্রামে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
আরবি/আলোকিত চট্টগ্রাম


