‘দুর্নীতির হাট—৮ কর্তার দৌড়ঝাঁপ’ ডাক পড়েছে দুদকে, কাস্টমসে ৮৫০ কোটি টাকার অনিয়ম

৮৫০ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে আট কাস্টমস কর্মকর্তার ডাক পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। এদের মধ্যে একজন রাজস্ব কর্মকর্তা এবং বাকি সাতজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম কাঁপানো দুদক কর্তার বদলি রহস্যে বেঁচে যাচ্ছেন ‘রাঘববোয়ালরা’

ওই আট সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আমদানি করা পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসের সময় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠে। তাঁরা হলেন—রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুন নাহার জনি, মির্জা সাইদ হাসান ফরমান, মো. মাহমুদুল হাসান মুন্সী, মো. মাহবুবার রহমান, মো. ওমর ফারুক, সাইফুল ইসলাম ও মাহমুদা আক্তার লিপি।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুদকের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতার দাপট’—মেয়রের সচিবের সম্পদের পাহাড়, মাঠে নামল দুদক

জানা যায়, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের এ আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এছাড়া বদলি হওয়া দুই কর্মকর্তার আইডি ব্যবহার করে সাতজন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের সহযোগিতায় বন্দরে আমদানি করা মালামাল খালাসে ৮৫০ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকিরও অভিযোগ পাওয়া গেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

আলোকিত চট্টগ্রাম
1 মন্তব্য
  1. ইউসুফ বলেছেন

    শুধু জন না বলা চলে প্রায় সকল কাস্টমস কর্মকর্তাগন দুর্নীতিবাজ হাতেগোনা কয়েকজন বাদে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm