নগর আওয়ামী লীগের ইউনিট সম্মেলনে বাধা নেই, সংকেত ছাড়াই ‘সমাপ্ত’ ঢাকার বৈঠক

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ইউনিট সম্মেলনে আর কোনো বাধা নেই। ১০২ ইউনিটের সম্মেলন শেষ হলেও বাকি ২৭ ইউনিটের সম্মেলন শেষ করেই ওয়ার্ড সম্মেনল— এমন তথ্য জানিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী। বিরোধ মীমাংসার ‘বৈঠক’ শেষে তিনি আলোকিত চট্টগ্রামকে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ইউনিট সম্মেলন নিয়ে কয়েকজন আপত্তির কথা জানান। তাদের আপত্তির বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যাও দিয়েছেন।

জানা যায়, চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের বিরোধ মীমাংসায় নগরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক  ছাড়া সহসভাপতি এবং যুগ্ম সম্পাদকদেরও ডাকা হয়। ১৬ জানুয়ারি (রোববার) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের দলীয় সভানেত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। সভা পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ৩ নেতার সুতোয় ঝুলছে ১৫ ইউনিট সম্মেলন

অসুস্থতার কারণে নগর আওয়ামী লীগের দুই সহসভাপতি ডা. আফসারুল আমিন চৌধুরী এমপি ও নুরুল ইসলাম বিএসসি সভায় উপস্থিত ছিলেন না।

এদিকে সভায় নগর আওয়ামী লীগের দুই সদস্য শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং সাংসদ এমএ লতিফ উপস্থিত ছিলেন। সদস্য না হওয়ার পরও নগরের জনপ্রতিনিধির হওয়ার কারণে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

বৈঠকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এমপি, অর্থ সম্পাদক ওয়াসিকা খান এমপি, চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র সহসভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, জহিরুল আলম দোভাষ ডলফিন, সুনীল সরকার ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, বদিউল আলম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: লাইফ সাপোর্টে আওয়ামী লীগ নেতা শমসের, হাসপাতালে ছুটে গেলেন মাহাতাব—নাছির

নগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, এটি ছিল ‘সৌজন্য বৈঠক’। সংগঠন করতে হলে একসঙ্গে এক মেরুতেই কাজ করতে হবে। শিষ্টাচারের মধ্যে কথাবার্তা বলা উচিত। চট্টগ্রাম নগরের সমস্যা সমাধান নগর আওয়ামী লীগেই ছিল। কিন্তু তা মানতে না পারায় ঢাকার বৈঠকে যেতে হয়েছে। নগর কমিটির নেতারা কেউ তো আর শিশু নয়, মুরুব্বি বয়সেও যদি নিজেদের সমস্যা নিজেরা সমাধান করতে না পারি— এটা লজ্জার।

তিনি বলেন, নগরের বাকি ২৭ ইউনিট সম্মেলন শেষে নগর আওয়ামী লীগের সভায় ওয়ার্ড কমিটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপরই ওয়ার্ডের সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র নেতা বলেন, বৈঠক কারোর প্রতি কেউ তেমন গুরুতর অভিযোগ তোলেননি। একে অপরের প্রতি সম্মান রেখেই আলাপ-আলোচনা হয়েছে।

আলোকিত চট্টগ্রাম

1 মন্তব্য
  1. এস এম লিটন বলেছেন

    ইউনিট কমিটি সমাপ্ত হওয়ার পর ওয়ার্ড কমিটি গুলো করতে ত্যগী নির্যাতিত মামলা হামলার শিকার ৯০/৯৬ আন্দোলন যারা ভূমিকা রেখেছে বর্তমানে হাইব্রীট এর নিকট পরাজিত বা গ্রুপতত্ত্বের নিকট অসহায় হয়ে আছে তাদের কে শুষ্ঠ নিরপেক্ষ তদন্তকরে বা অতীতের রাজনীতি প্রোফাইল ডকোমেন্ট জমা নিয়ে যাচাইবাছাই করে ওয়ার্ড কমিটি করলে তাহা সকলের গ্রহন যোগ্য হবে,,বর্তমানে ইউনিট কাউন্সিল অনেক হাইব্রীট এসেছে ভাই আসির্বাদ অথবা টাকার আসির্বাদ। যোগ্যতা শ্রম মেধা সব পরাজিত হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm