আবার সক্রিয় সেই চক্র, কেন বারবার টার্গেট প্রকৌশলী আনোয়ারুল?

দুই বছর আগে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পাতে রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে। মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে একাধিক গণমাধ্যমকে। তবে প্রকৌশলী আনোয়ারুল ব্যাখা দিলে ধরা পড়ে সেই ষড়যন্ত্র। একাধিক গণমাধ্যম প্রত্যাহার করে নেয় তাদের প্রতিবেদন। এরপর নিজেদের আড়াল করে নেয় চক্রটি।

ঘাপটি মেরে থাকা সেই চক্রটি দুই বছর পর ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। পুরনো সেই অপপ্রচারগুলো তারা নিয়ে আসছে নতুন করে। একের পর এক ফটোকার্ড তৈরি করে ছড়িয়ে দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

অনুসন্ধান বলছে, রেল থেকে ফায়দা লুটতে না পেরে চক্রটি টার্গেট করে প্রকৌশলী আনোয়ারুলকে। এখন
চক্রটির উদ্দেশ্য একটাই— প্রকৌশলী আনোয়ারুলকে সামাজিকভাবে হেনস্থা ও হয়রানি করা।

জানা যায়, প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলামকে নিয়ে ২০২৪ সালে মিথ্যা তথ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই সময় তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে যোগাযোগ করে এর ব্যাখা দেন। প্রকৌশলী আনোয়ারুলের তথ্যের সত্যতা পেয়ে একাধিক গণমাধ্যম প্রত্যাহার করে নেয় তাদের প্রতিবেদন।

এদিকে দুই বছর পর ফের সামনে আনা হচ্ছে সেই পুরনো কাসুন্দি। প্রত্যাহার করে নেওয়া সেই প্রতিবেদনটিকেই পুঁজি করে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি। নতুন করে আবার ষড়যন্ত্র করছে আগের সেই চক্রটি। কপি-পেস্ট প্রতিবেদনটি পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এর মধ্যে বেশিরভাগ গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে বিষয়টি ধরা পড়েছে এবং তারা প্রতিবেদনটি প্রকাশ থেকে বিরত থাকে।

জানতে চাইলে রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলাম আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়েতে কর্মকর্তা সংকটের কারণে সম্পূর্ণ প্রশাসনিক প্রয়োজনে আমাকে একাধিক পদের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। এটি প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত, কোনোভাবেই আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছায় নয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, রেলওয়ে থেকে ফায়দা নিতে পারা একটি প্রভাবশালী চক্র দুই বছর আগে আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে। ওই সময় বিষয়টির ব্যাখা দিলে তারা আর এগোতে পারেনি। কিন্তু দুই বছর পর আবার সেই মিথ্যা তথ্যগুলো সমানে প্রচার করে চলেছে প্রভাবশালী চক্রটি। সাবেক মন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সুবিধা গ্রহণ থেকে মিষ্টি বিতরণ; সব গল্পই তারা প্রচার করে যাচ্ছে। অথচ এসব অভিযোগের পক্ষে তাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই।

রেলের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, শক্তিশালী চক্রটি আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করতেও ছাড়ছে না। অথচ কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি।

প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, সাংবাদিকের কাজ অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে ধরা। কিন্তু কোনো অনুসন্ধান না করে শুধু একজনের দেওয়া তথ্য প্রচার করা কখনোই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নয়। তাছাড়া এটি সাংবাদিকতার নীতিমালারও পরিপন্থী।

আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm