আলোকিত চট্টগ্রামে প্রতিবেদন, বদলে যাচ্ছে ফটিকছড়ির সেই প্রকল্পের চিত্র

আলোকিত চট্টগ্রামে সংবাদ প্রকাশের পর কড়া অবস্থানে প্রশাসন। অপসারণ করা হয়েছে ফটিকছড়ি উপজেলার গার্ডের দোকান থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের নিম্নমানের খোয়া।

জানা যায়, আলোকিত চট্টগ্রামে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা প্রশাসন ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের। এরপর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে প্রকল্পের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। একইসঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয় ব্যবহৃত নিম্নমানের উপকরণ সরিয়ে পুনরায় কাজ শুরু করার।

রোববার (১০ মে) সকাল থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুনরায় কাজ শুরু করে। এ সময় পুরোনো ও নিম্নমানের খোয়া সরিয়ে নতুন উপকরণ ব্যবহার করতে দেখা যায়।

উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আবছার চৌধুরী জানান, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকল্পের কাজ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার পরপরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিম্নমানের উপকরণ অপসারণ করা হচ্ছে এবং মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষের পথে থাকলেও কাজের অগ্রগতি হয় ১০ শতাংশেরও কম। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে এ এস বি লিমিটেড ও ফামানটেক কর্পোরেশন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই কাজে গাফিলতির পাশাপাশি মানহীন উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছিল।

সরেজমিন অনুসন্ধানে এর সত্যতা পায় আলোকিত চট্টগ্রাম। এ নিয়ে গত ২ মে ‘ফটিকছড়িতে চাঁদাবাজি মামলার নেপথ্যে সড়ক নির্মাণে অনিয়ম!’ শিরোনামে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করে আলোকিত চট্টগ্রাম।

এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলছে, ইটভাটা থেকে সরবরাহ করা কিছু খোয়া নিম্নমানের হওয়ায় সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের তৎপরতা বাড়লেও প্রকল্পের কাজের গুণগত মান এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হওয়া নিয়ে এখনো সংশয়ে স্থানীয়রা।

আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm