মৎস্যজীবীরাও পাবেন কৃষক কার্ড—কৃষি ঋণ মওকুফ সুবিধা

ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার হরণ করেছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর।

প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় কৃষকদের মতো মৎস্যজীবীরাও এখন থেকে ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ সুবিধা ভোগ করবেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সরকারি জলমহাল আইন-২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, মৎস্যজীবীদের শুধু মাছ ধরার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। প্রধানমন্ত্রী চান নিম্ন আয়ের সকল পেশাজীবীর জীবনমান উন্নত হোক। তাই অফ-সিজনে মৎস্যজীবীদের আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গবাদিপশু পালনে সম্পৃক্ত হতে হবে।

জলমহাল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জলমহাল ব্যবস্থাপনায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই প্রভাবশালী বা ভুয়া মৎস্যজীবীরা জলমহাল দখল করতে পারবে না। প্রকৃত মৎস্যজীবীদের বাছাই করে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা নিশ্চিত করতে হবে।

মীর হেলাল অনিয়মের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মৎস্যজীবীদের কার্ড প্রদান বা তালিকাভুক্তিতে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার পরিবেশ ও বন উজাড় করে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে। আমরা সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে চাই। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেলা ও টিআইবির প্রতিনিধি এবং মৎস্যজীবী নেতারা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm