ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শিগগিরই ‘অসাধারণ ক্ষমতা’ দেখা যাবে।
এদিকে ইরানের ওপর চাপ তৈরি করতে ওই অঞ্চলে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে পেন্টাগন। ওয়াশিংটন ও তেহরানের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিতর্ক নিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টার মাঝেই ট্রাম্পের কঠোর সামরিক পদক্ষেপের এই হুঁশিয়ারি এলো।
রয়টার্স বলেছে, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় ইরানের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মার্কিন কূটনীতিক স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। ওই বৈঠকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ওমানের প্রতিনিধি। একই দিনে ইউক্রেনে যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন মার্কিন প্রতিনিধিরা।
ইরানে শাসন পরিবর্তন চান কি-না, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, মনে হচ্ছে, এটাই সবচেয়ে ভালো বিষয়; যা ঘটতে পারে।
শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটলে দেশটি কারা নিয়ন্ত্রণ করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, লোকজন আছে।
ট্রাম্প বলেন, যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে তিনি ইরানের ওপর হামলা চালাতে পারেন।
তেহরানও পাল্টা হামলার হুমকি দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে। গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ওপর একযোগে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
ট্রাম্প বলেন, পারমাণবিক স্থাপনাতে এখন যা বাকি আছে তা কেবল ‘ধুলোবালু’। যদি হামলা চালানো হয়, তাহলে এটি মিশনের সবচেয়ে ছোট অংশ হবে। কিন্তু ইরানের হাতে যা বাকি আছে, তার সবটুকুই ধ্বংস করা হবে।
আলোকিত চট্টগ্রাম


