রাজনীতির জন্য ইসলামকে ব্যবহার করার প্রবণতা রুখে দিতে হবে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশের ৯০ ভাগ মানুষ মুসলমান, আর অন্যান্য ধর্মের ১০ ভাগ৷ আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে সাংবিধানিকভাবে। ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সম্প্রীতির সাথে আমাদের সবাইকে একসাথে বসবাস করতে হবে এ দেশে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ইসলামের নাম ব্যবহার করে ইসলামের ক্ষতি করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দুনিয়ায় জন্য, রাজনীতির জন্য ইসলামকে ব্যবহার করার যে প্রবণতা এটা রুখে দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে পটিয়ায় ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল জামিয়াতুল আরাবিয়া ইসলামিয়া জিরি মাদরাসা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি মাদরাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে আল্লামা শাহ মোহাম্মদ তৈয়বের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় দোয়া ও মোনাজাত করেন জিরি মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ খোবাইব।

এরপর দুপুরে তিনি পটিয়া আল জামিয়া আল ইসলামীয়ার (পটিয়া মাদ্রাসা) সদ্য প্রয়াত আল্লামা হাফেজ মুফতি মাওলানা আহমদুল্লার কবর জেয়ারত করেন। এরপর শিক্ষক, আলেম-ওলামাদের সাথে মতবিনিময় করেন। এতে দোয়া ও মোনাজাত করেন মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা আবু তাহের কাসেমী নদভী।

এ সময় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী দল। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সংবিধানে বিসমিল্লাহ সংযোজন করেছিলেন, আপনারা জানেন। তিনি আলেম-ওলামাদের পরামর্শে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য মহান আল্লার ওপর আস্থা-বিশ্বাস সংযোজন করেছিলেন। সেগুলো কিছু বহাল আছে, কিছু নেই। এবার আমরা সবকিছু সংশোধন করব ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, কেউ কেউ বলে, অমুক দল পরাজিত হলে ইসলাম পরাজিত হবে। কোনো রাজনৈতিক দলের পেছনে যদি ইসলাম শব্দ লেখা থাকে তাহলে কি তারা ইসলামের মালিক হয়ে যায়? আমরা যেন কোনো রাজনৈতিক কারণে ইসলামকে ব্যবহার না করি। রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ইসলামকে ব্যবহার না করি।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মীর হেলাল উদ্দিন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া ও সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু ও রেজাউল করিম নেছার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম, জেলা বিএনপির সদস্য বদরুল খায়ের চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন সুমন ও জাহাঙ্গীর কবির, পটিয়া উপজেলা বিএনপি সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম সওদাগর, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, মঈনুল আলম ছোটন, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবিউল হোসেন রবি, জেলা ছাত্রদল নেতা তারেকুর রহমান তারেক, চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, আবদুল মোনাফ, চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মাস্টার, শামসুল আনোয়ার খান, গাজী মোহাম্মদ মনির ও আবু শহীদ রমজান, পটিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু, ওবাইদুল হক রিকু এবং পটিয়া পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক আবছার উদ্দিন সোহেল।

কেএ/আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm