নারীর বন্ধ্যাত্ব বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে আধুনিক অগ্রগতি তুলে ধরতে বৈজ্ঞানিক সেমিনার করেছে পার্কভিউ হসপিটাল লিমিটেড। ‘Exploring Tubal Patency in Female Infertility : Clinical Perspectives from Bangladesh’ শীর্ষক এ সেমিনার রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুর ২টায় পার্কভিউ হসপিটালের ১২তম তলার কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। সভাপতিত্ব করেন পার্কভিউ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এটিএম রেজাউল করিম। গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. নাজমিন সুলতানার সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গাইনি ও বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডা. রেশমা শারমীন।
সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা Tubal Patency in Female Infertility নির্ণয় ও চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাঁরা নারীর বন্ধ্যাত্ব নির্ণয়ে আধুনিক ইমেজিং প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে আসে পার্কভিউ হসপিটালে সম্প্রতি সংযোজিত অত্যাধুনিক হিস্টেরোসালপিনগোগ্রাফি (HSG) টেস্ট মেশিন – Flexavision F4।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে টিউবাল প্যাটেন্সি পরীক্ষায় আরও বেশি নির্ভুলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব, যা নারীর বন্ধ্যাত্ব নির্ণয়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
সেমিনারের বিশেষজ্ঞ প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. শাহানারা চৌধুরী (প্রাক্তন অধ্যাপক, গাইনি বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল), অধ্যাপক ডা. শর্মীলা বড়ুয়া (প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান, গাইনি বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল), অধ্যাপক ডা. মাফরুহা খানম পরাগ (বিভাগীয় প্রধান, ইউএসটিসি মেডিকেল কলেজ) এবং সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফাহমিদা ইসলাম চৌধুরী (বিভাগীয় প্রধান, গাইনি বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. আফরোজা চৌধুরী, ডা. জেবুন্নেসা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. রওনক জাহান, ডা. শিরিন ফাতেমা, ডা. ফাহমিদা শিরিন পাপড়ী, ডা. আইনুননাহার হামিদ, ডা. আফরোজা ফেরদৌস (বন্যা), ডা. তফিকুর নাহার মোনা, ডা. তাসলিমা আক্তার, ডা. উর্মি আলম, ডা. নার্গিস সুলতানা, ডা. আরিফা জামিলসহ আরও অনেকে।
নারীর বন্ধ্যাত্ব বিষয়ে আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা ও গবেষণালব্ধ অগ্রগতি তুলে ধরতে আয়োজিত এই বৈজ্ঞানিক সেমিনার চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্থান করে নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আলোকিত চট্টগ্রাম
