অপহরণের ৫ ঘণ্টার মধ্যে শহিদুল আলম জুয়েলকে (৩২) অক্ষত উদ্ধার করেছে কর্ণফুলী থানা পুলিশ।
বুধবার (৫ মার্চ) রাত ১১টার দিকে উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগর স্কুলের সামনের বাজার থেকে ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয়ে জুয়েলকে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে অপহৃত পরিবারের অভিযোগ পেয়ে রাত ১টার দিকে জুয়েলের মোবাইল ট্র্যাক করে পুলিশ। এতে দেখা যায়, তাঁর অবস্থান নগরের খুলশী এলাকায়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে লোকেশন পরিবর্তন হয়। এরপর তাঁর মোবাইল লোকেশন পাঁচলাইশ, লালবাজার, কোতোয়ালীসহ নগরের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়।
আরও পড়ুন : ১৪ বছরের শিশুকে অপহরণ করেছিল ২০ বছরের মিরাজ
অন্যদিকে অপহরণকারীরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। একপর্যায়ে ৫ লাখ টাকায় নেমে আসে এবং টাকা বিকাশে পাঠানোর জন্য চাপ দেয়।
পরে রাত ২টা ২১ মিনিটে অপহৃতের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে দেখা যায়, তিনি কোতোয়ালী এলাকায় আছেন। এরপর ২টা ৫১ মিনিটে পুলিশ নিশ্চিত হয় অপহরণকারীরা তাকে ছেড়ে দিচ্ছে। পরে কোতোয়ালী থানার সামনে থেকে অপহৃত জুয়েলকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়।
পুলিশকে ভিকটিম জুয়েল জানান, অপহরণকারীরা নিজেদের ‘ছাত্র সমন্বয়ক’ পরিচয় দিয়ে প্রথমে তাঁকে কথার ফাঁদে ফেলে। তাদের কথামতো অটোরিকশায় উঠি। পরে আমাকে নতুনব্রিজের ওপারে একটি প্রাইভেট কারে তুলে। এরপর তারা আমাকে লালদীঘি, কাজির দেউড়িসহ নগরের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মু. শরীফ আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, আমরা খবর পেয়েই অভিযান শুরু করি। পুলিশের তৎপরতায় অপহরণকারীরা জুয়েলকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভিকটিম জুয়েলের বাবা মো. শাহ আলম সওদাগর পুলিশের প্রশংসা করে আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, ৫ ঘণ্টার মধ্যে আমার ছেলেকে উদ্ধার করেছে কর্ণফুলী থানার পুলিশ। তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
জেজে/আরবি
