এ বছরের ৩১ জানুয়ারি বিয়ে হয়েছিল কাজল রেখার। কিন্তু বিয়ের পাঁচ মাস না যেতেই শ্বশুরবাড়িতে মিলল ২০ বছরের তরুণী এই বধূর মরদেহ। পরিবার বলছে, কাজল রেখাকে খুন করা হয়েছে। ঘটনার পর পলাতক কাজল রেখার স্বামী রাজিবুল ইসলাম রানা পালিয়ে যাওয়ায় জোরালো করছে তাদের এই দাবি। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা মোরারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোঁয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। অপরদিকে রাজিবুল ইসলাম ওই এলাকার বাসিন্দা মো. রাসেল প্রকাশ রাসেল মিকারের ছেলে।
শুক্রবারও মেয়ের জন্য বিভিন্ন উপহার নিয়ে তার শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে জসিম উদ্দিন জানান, বিয়ের পর থেকে আমার মেয়েকে প্রায়সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। বিভিন্ন সময় কাজল রেখা এসব নির্যাতনের কথা আমাকে জানিয়েছিল।
জসিমের দাবি, শনিবার দুপুরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে মারধর করে খুন করেছে। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
পুলিশ বলছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
যোগাযোগ করা হলে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্তে যার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমকেডি/আলোকিত চট্টগ্রাম
