পুলিশ দেখেই দ্রুতগতিতে পালাতে থাকে সাদা রঙের চকচকে একটি নোয়া (মাইক্রোবাস)। ধাওয়া দিয়ে আটক করা হয় গাড়িটি। এরপর গাড়ি থেকে নামানো হয় কক্সবাজার থেকে ঢাকা যেতে থাকা মো. জসিম হাওলাদারকে (৩৯)। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বেশ কয়েকটি সাদা কাগজ মোড়ানো প্যাকেট। যেগুলোতে ছিল ২০ হাজার ইয়াবা!
অভিযানটি চকরিয়া থানা পুলিশের। বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ডুলাহাজারার রিংভং এলাকায় চেকপোস্টে ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়।
আটক মো.জসিম হাওলাদার পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার সলিমপুর এলাকার সফি হাওলাদারের ছেলে।
চকরিয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে নোয়া গাড়িতে এক মাদক ব্যবসায়ী বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যে জানতে পেরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার ডুলাহাজারা রিংভং এলাকায় থানার এসআই নাছির আহম্মদের নেতৃত্বে পুলিশ চেকপোস্ট বসায়। বেশ কয়েকটি গাড়ি তল্লাশির এক পর্যায়ে একটি সাদা নোয়া থামাতে বলা হয়। কিন্তু গাড়িটি না থেমে দ্রুতগতিতে চালিয়ে পালিয়ে যেতে থাকে।
এ সময় ধাওয়া করে নোয়াটি থামানো হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির ভেতর থেকে বেশ কয়েকটি সাদা কাগজ মোড়ানো প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটগুলো খুলে ২০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে ইয়াবা বহনকারী জসিম হাওলাদারকে আটক করা হয় এবং নোয়া গাড়িটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
যোগাযোগ করা হলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডুলাহাজারা এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে জসিম হাওলাদার নামের এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ইয়াবা পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি নোয়া গাড়ি। এ ঘটনায় মাদক আইনে মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে।
এমকেডি/আলোকিত চট্টগ্রাম


