চট্টগ্রামে গভীর রাতে ফিল্মি স্টাইলে গুলি করে জোড়া খুনের ঘটনায় মো. সজিব (২৯) নামে আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশ বলছে, খুনে সরাসরি জড়িত সজিব।
সোমবার (৭ এপ্রিল) ভোরে নগরের সদরঘাট এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে সজিবকে গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা পুলিশ। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে কর্ণফুলীর ইছানগরের ভাড়া বাসা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পোশাক এবং ফটিকছড়ির কাঞ্চননগরের রাজা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে একটি মোটরসাইকেল (চট্টমেট্রো-ল-১৩-৭৯১১) উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার সজিব ফটিকছড়ি থানার ৭ নম্বর কাঞ্চননগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তকবুল আলীর বাড়ির মো. সেলিম উদ্দিনের ছেলে।
আরও পড়ুন : চট্টগ্রামে ফিল্মি স্টাইলে জোড়া খুন, ৪ দিনের রিমান্ডে বেলাল—মানিক
এর আগে ৩ এপ্রিল ভোরে নগরের বহদ্দারহাট ও ফটিকছড়ি উপজেলা থেকে বেলাল (২৭) ও মানিক (২৪ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৬ এপ্রিল চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরকার হাসান শাহরিয়ায়ের আদালত দুজনের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইফতেখার উদ্দিন আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, গ্রেপ্তার সজিব সরাসরি কিলিং মিশনে অংশ নেয়। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ৩০ মার্চ রাত পৌনে ৩টার দিকে নগরের বাকলিয়ার কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু থেকে বাকলিয়া এক্সেস রোড অভিমুখী চট্টমেট্রো-গ ১২-৯০৬৮ নম্বরের একটি রূপালী রঙের প্রাইভেট কারকে গুলি ছুড়তে ছুড়তে ধাওয়া করা হয়। ৪-৫টি মোটরসাইকেলে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে প্রাইভেটকারটিকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে প্রাইভেট কারটি বাকলিয়া এক্সেস রোড দিয়ে প্রবেশ করে চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকা পৌঁছানোর পর থেমে যায়। এসময় বেপরোয়াভাবে গুলিবর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। এতে বখতেয়ার হোসেন মানিক ও আব্দুল্লাহ নামে দুজন নিহত হন। রবিন ও হৃদয় নামে আরও দুজন আহত হন।
জেজে/আরবি


