বাঁশখালীতে স্কুলছাত্র সুবর্ণ দে’র (১৬) মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এক পক্ষের দাবি, এটি আত্মহনন। আরেক পক্ষ প্রচার করে, মৃগী রোগে মারা গেছে সুবর্ণ। তবে পরিবার বলছে, এটি পরিকল্পিত খুন।
সুবর্ণ দে বাণীগ্রাম-সাধনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। সে ভালো মৃদঙ্গ বাদক এবং বাণীগ্রাম কালী মন্দির উপসনা সংঘের সদস্য।
গত ১০ জুলাই তার মৃত্যু হয়। এরপর মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশকে না জানিয়ে মরদেহ সৎকার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের দাবি, সুবর্ণকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা সুখেন্দু বিকাশ দে ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে মামলার আসামিদের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে সুবর্ণ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
অপরদিকে স্থানীয় কয়েকজন জানান, মৃত্যুর পর এলাকায় প্রচার করা হয়েছিল সুবর্ণ মৃগী রোগে মারা গেছে।
যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ টিপু কান্তি দে স্বীকার করেন ঘটনাটি থানায় জানানো হয়নি। বাঁশখালী থানার ওসিও আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, এই বিষয়ে পুলিশকে কেউ অবহিত করেনি।
এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানান, প্রথমে শুনলাম সুবর্ণ আত্মহত্যা করেছে। এরপর প্রচার হলো, মৃগী রোগে মারা গেছে সে। আবার পুলিশকে না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে মরদেহ সৎকার করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এই মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। পরিবারের আবেদনে আদালত সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে। সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনেই মিলবে সব প্রশ্নের উত্তর।
আলোকিত চট্টগ্রাম

