উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাধক মহাযোগীরাজ শ্রীমৎ স্বামী গুরুদাস পরমহংসদেব (ফকির) বাবাজীর ২১১তম আবির্ভাব ও ১২৯তম তিরোধান তিথি মাঘী পূর্ণিমা উৎসবের পর্দা নেমেছে। এ উপলক্ষে ফটিকছড়ি শ্রীশ্রী সুয়াবিল সিদ্ধাশ্রম মঠে দুদিন ধরে নানা আয়োজন করা হয়।
১ ফেব্রুয়ারির (রোববার) আয়োজনে ছিল— ব্রহ্মমুহূর্তে ঊষাকীর্তন, মঙ্গলারতি, পূজা, গীতাপাঠ, বিশ্বশান্তি যজ্ঞ, ধর্ম সম্মেলন, নামযজ্ঞের অধিবাস কীর্তন, গুরুদাস বাবাজীর জীবনালোকে সংগীতাঞ্জলী। সংগীত পরিবেশন করেন মরমী লালনশিল্পী ভজন ক্ষ্যাপা, শিমুল শীল, প্রকাশ রায় হিমেল, সুব্রত ধর, মৃদুল শীল, লিটন সূত্রধর ও প্রমল সূত্রধর।
২ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) অনুষ্ঠিত হয় অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানাম সংকীর্তন।
এসব আয়োজনে ছিল ফটিকছড়ি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, বাগীশিক ফটিকছড়ি উপজেলা সংসদ, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য ফ্রন্ট, জাগো হিন্দু পরিষদ, জাতীয় গীতা পরিষদ, ভূজপুর থানা পূজা
পরিষদ, ফটিকছড়ি পৌরসভা পূজা পরিষদ, নাজিরহাট পৌরসভা পূজা পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।
আলোকিত চট্টগ্রাম


