কৈনপুরা ও মহতরপাড়ার রাতের সেই গল্পটা আর নেই

সন্ধ্যায় সূর্যটা পশ্চিমে হারিয়ে গেলে অন্ধকারে ভুতুড়ে গ্রাম হয়ে যেত আনোয়ারার কৈনপুরা ও মহতরপাড়া। ঘুটঘুটে অন্ধকারে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ গ্রামীণ রাস্তায় বের হতো না। এখানে রাত মানেই গা ছমছমে অন্ধকার। তবে অন্ধকারের সেই গল্প এখন আর নেই। দুই গ্রামের রাতের চিত্র বদলে দিয়েছে নেপাল-মঞ্জু ফাউন্ডেশন।

বাবার স্বপ্ন,মায়ের হাতে আলোকিত গ্রাম— স্লোগানকে সামনে রেখে নেপাল-মঞ্জু ফাউন্ডেশন উপজেলার মহতরপাড়া হয়ে কৈনপুরা-চাতরী ব্রিজ পর্যন্ত সড়কে বসিয়েছে ১২৫টি স্ট্রিট সোলার লাইট। এজন্য ব্যয় হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। এখন সন্ধ্যার পরও আলোকিত হচ্ছে এই দুই গ্রাম।

সরেজমিন দেখা যায়, প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদের মোড়ে মোড়ে এখন দাঁড়িয়ে আছে সোলার ল্যাম্প লাইট। দিনভর সূর্যের আলো সঞ্চয় করে এসব সোলার ল্যাম্প লাইট সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত আলোকিত করে রাখছে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ গ্রামীণ জনপদ। এতে সন্ধ্যার পরও নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছেন স্থানীয়রা।

কৈনপুরা ও মহতরপাড়ার নতুন এ যাত্রা শুরু হয় শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায়। কৈনপুরা অগ্রণী সংঘ মাঠে এ আলোকায়নের উদ্বোধন করেন মঞ্জু রাণী সেন। কৈনপুরা স্কুল কমিটির সাবেক সভাপতি মিহির কান্তি পালের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি তাপস হোড়। স্বাগত বক্তব্য দেন নেপাল-মঞ্জু ফাউন্ডেশনের কর্ণধার ও অগ্রণী সংঘ সভাপতি রঘুপতি সেন।

অনুষ্ঠানে নেপাল-মঞ্জু ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রধান অতিথি সরওয়ার জামাল নিজাম এমপি বলেন, বাবার স্বপ্ন লালন করে রঘুপতি সেন গ্রামবাসীর জন্য আলোকায়নের যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এমন নতুন নতুন মহৎ উদ্যোগ নিয়ে এলাকার বিত্তবান দানশীল ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm