কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশ হিসেবে ৩৬ জন উপকারভোগী পেয়েছেন ১৬ লাখ টাকার চেক।
শনিবার (২৫ জুলাই) উপকারভোগীদের হাতে চেক তুলে দেন কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
উপকারভোগীদের ৩১ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তাঁরা ২০০৮-২০০৯ সালে উপজেলার ৩৬ হেক্টর সামাজিক বনায়ন সৃজন ও দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণে সরাসরি অবদান রেখেছেন।
চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের (মহেশখালী রেঞ্জ) উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আলমগীর ফরিদ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সামাজিক বনায়ন এক বিপ্লব এনেছে। গাছ যেমন আমাদের অক্সিজেন দেয়, তেমনি এভাবে ঘরে বসে আয়ের সুযোগও তৈরি করে। তিনি পাহাড় কাটা বন্ধের আহ্বান জানান এবং বনায়ন কার্যক্রমে নারীদের সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন।
এর আগে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় রাশেদুল হাসানের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার উপকূলীয় বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক শেখ আবুল কালাম আজাদ।
মুদিরছড়া বিট কর্মকর্তা আক্তার হোসেনের সঞ্চালনায় এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপকারভোগী সমিতির সভাপতি গোলাম কাদের ও সহকারী বন সংরক্ষক সামিদুল ইসলাম।
বক্তব্য দেন মহেশখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বকর ছিদ্দিক, অ্যাডভোকেট হামিদুল হক, মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, গোরঘটা রেঞ্জ কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন এবং কালারমারছড়ার সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কাদের বাবুল।
এমএস/আলোকিত চট্টগ্রাম


