চকরিয়ায় একই রাতে ২ ডাকাতি, বাদ যায়নি জেলে থাকা চেয়ারম্যানের ঘরও

কক্সবাজারের চকরিয়ায় একই রাতে দুই ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পবিারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল লুট করে ডাকাতরা।

রোববার (২৪ মে) গভীর রাতে চকরিয়া উপজেলার ইসলামনগর ও পৌরসভার বাটাখালী এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ইসলামনগরের হাবিবুর রহমনা বেদারের বাড়িতে ৭-৮ জনের একদল স্বশস্ত্র ডাকাত হানা দেয়। ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল লুট করে।

এদিকে একই রাতে চকরিয়া পৌরশহরের বাটাখালীর চেয়ারম্যান দিদারুর হক সিকদারের বাড়িতে হানা দেয় ডাকাতরা। পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুট করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল।

ডাকাতির শিকার হাবিবুর রহমান বেদার বলেন, রাতে বাড়িতে মেহমান এসেছিল। ওরা যাওয়ার পর বাড়ির বারান্দায় বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এ সময় মুখোশধারী কয়েকজন সশস্ত্র ডাকাত বাড়িতে ডুকে সবার মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। এরপর আমার স্ত্রীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেয়।

তিনি আরও বলেন, যাওয়ার সময় আমাদের সবাইকে বাড়ির ভেতর আটকে রেখে বাইর থেকে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে আমাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এসে দরজা খুলে দেয়। ততক্ষণে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পুলিশকে জানানোর পর পুলিশ এসে পরিদর্শন করে চলে যায়।

ডাকাতির শিকার হওয়া চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদারের স্ত্রী জানান, আমার স্বামী তিন-চার মাস ধরে জেলে। বাড়িতে আমি ও সন্তানরা একা থাকি। রোববার রাতে একদল ডাকাত বাড়িতে হানা দেয়। ওরা বাড়ির দরজা ভেঙে ঘরে ডুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাড়িতে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল নিয়ে যায়।

এদিকে একই সময়ে দুই বাড়িতে ডাকাতির হানার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এটা কী ডাকাতি, নাকি অন্য কোনো বিষয় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

এমকেডি/আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm