বান্দরবানের থানচি উপজেলার সীমান্ত সড়কের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ।
সীমান্ত সড়কগুলোর সার্বিক অবস্থা পরিদর্শনে ২১ আগস্ট (রোববার) হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে থানচি যান। এরপর বাকলাই সেনাবাহিনীর ক্যাম্প থেকে সড়ক পরিদর্শন করেন।
আরও পড়ুন : বান্দরবানে ৫০০ ফুট নিচে খাদে পড়ল সেনাবাহিনীর গাড়ি, নিহত ১—আহত ৩
এ সময় তিনি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন। সেনাপ্রধানের সঙ্গে ছিলেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাসুদুর রহমান, সীমান্ত সড়ক প্রকল্প পরিচালক কর্নেল এএনএম ফয়েজুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত উপপ্রকল্প পরিচালক মেজর সাঈদ মো. জাহিদুর রহমান, কোম্পানি অধিনায়ক ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন ও প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর মোস্তফা কামালসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সড়কটির প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। শিগগির কাজ সমাপ্ত করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এতে পর্যটন শিল্প প্রসারের পাশাপাশি সীমান্তের নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও এলাকার আর্থসামাজিক ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে।
প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর মোস্তফা কামাল জানান, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ফুট উচ্চতায় থানচি উপজেলায় সড়ক নির্মাণ করছে সেনাবাহিনী। নির্মাণকাজ শেষ হলে সীমান্তের নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি আর্থসামাজিক ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে। তিনি আরও জানান, জেলার থানচি উপজেলার বাকলাই, রেমাক্রী ও লিক্রি এলাকায় সেনাবাহিনীর অধীনে নির্মিত হচ্ছে তিন পার্বত্য জেলার আন্ত:সংযোগ সড়ক। ৩১৭ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে রুমা, থানচি ও আলীকদম উপজেলার দুর্গম এলাকাগুলোতে নির্মিত হচ্ছে ৯২ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক। আন্ত:সংযোগ সড়কটির কাজ শেষ হলে আরও জোরদার হবে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া দুর্গম এলাকায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করা সহজ হবে। এতে পাল্টে যাবে স্থানীয়দের জীবনমান।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪-ব্রিগেড ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তিন পার্বত্য জেলায় সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করে সেনাবাহিনীর। ২০২৪ সালে এই সড়কের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
ইএস/এসআর


