কোথাও শৈত্যপ্রবাহ নেই, এরপরও পৌষের মাঝামাঝিতেই ভয়ঙ্কর শীত! প্রচণ্ড শীতে স্বাভাবিক জীবনযাপনও বাধাগ্রস্ত। কিন্তু শৈত্যপ্রবাহ ছাড়া এই সময়েই কেন এত শীত?
এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন আবওহাওয়াবিদরা। তাঁরা বলছেন, সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) কোথাও শৈতপ্রবাহ ছিল না। তবে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কম থাকায় এবং কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা না মেলায় শীত অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে।
তাঁরা বলছেন, কুয়াশার প্রকোপ থাকায় সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে গ্রাউন্ড হিটেড হচ্ছে না। শীত বেশি অনুভূত হওয়ার এটিও একটি কারণ।
এদিকে কুয়াশার দাপট আরও দুদিন থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারা বলছে, আগামী দুই দিনে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে।
সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কিশোরগঞ্জের নিকলিতে, ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে, ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আলোকিত চট্টগ্রাম

