সাবেক সহকর্মীর পেনশনের ফাইল আটকে ঘুষ নেওয়ার অপরাধে বিটিসিএলের দুই কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৬ মে) দুপুরে বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুনসী আবদুল মজিদ এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু ।
আরও পড়ুন: ইয়াবা কারবারি মিয়ানমারের নাগরিকের ৭ বছরের কারাদণ্ড
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বিটিসিএল নন্দনকানন বিভাগীয় প্রকৌশলী ফোনস (আভ্যন্তরীণ) কার্যালয়ের প্রধান সহকারী কাম-ক্যাশিয়ার মো. গিয়াস উদ্দীন এবং একই কার্যালয়ের টেলিফোন অপারেটর (অতিরিক্ত দায়িত্ব সহকারী) মো. হুমায়ুন কবির।
মো. গিয়াস উদ্দীন ফেনী সোনাগাজী থানা এলাকার মজুপুর গ্রামের মৃত আলী আকবরের ছেলে। মো. হুমায়ুন কবির চাঁদপুর মতলব থানা এলাকার টরকী গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের ছেলে।
এ বিষয়ে পিপি কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করার অপরাধে মো. গিয়াস উদ্দীনকে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মো. হুমায়ুন কবিরকে ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
তিনি আরও বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন। আদালতের আদেশের পর আসামি গিয়াস উদ্দীনকে কারাগারে পাঠানো হয়। অপর আসামি হুমায়ুন কবিরের সাজার মেয়াদ ১ বছর পূর্ণ হওয়ায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এক মাসের অন্তবর্তী জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।
আরও পড়ুন: চকলেটের লোভ দেখানো ধর্ষক শরীফুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১৭ আগস্ট চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার নন্দনকানন বিটিসিএলের উপসহকারী প্রকৌশলী আবুল কাশেম ভূঁইয়ার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির রহমান সানির উপস্থিতিতে আসামিদের গ্রেপ্তার করে দুদক। ওইদিনই তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে কারাগারে পাঠানো হয়।
২০১৭ সালের ২১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। একই বছরের ২৪ জুলাই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। সর্বশেষ চলতি বছরের ১১ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানি হয়।
আরএস/আরবি


