সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে মানববন্ধনে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
শনিবার (৭ মার্চ) ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ০১ নম্বর সিআর আমলী আদালতে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ নেতা মাওলানা শহিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী এলাকার বাসিন্দা বর্তমানে ময়মনসিংহ নগরীর আরকে মিশন রোডের বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা সোবেদ আলী রাজা এবং ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মোমিন তালুকদারসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়।
মামলার বাদী রেজাউল করিম রেজার অভিযোগ, ২০১৭ সালের ২২ জুলাই ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কয়েকজন ব্যক্তি মানববন্ধন করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানিকর ও অশালীন বক্তব্য দেন। পরদিন ২৩ জুলাই “এতিমদের টাকা ভক্ষনকারী জামাত-জোট নেত্রী খালেদাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে” শিরোনামে একটি স্থানীয় পত্রিকায় ছবিসহ সংবাদ প্রকাশ হয়। এ ঘটনায় তিনি দণ্ডবিধির ৫০০/৩৪ ধারায় আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন।
আদালতের নির্দেশে পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সাক্ষীদের জবানবন্দি, পত্রিকার কপি যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাইসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।
তদন্তে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২২ জুলাই ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের ব্যানারে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ওই মানববন্ধনে শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে বিএনপি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়। পরদিন এ বিষয়ে একটি স্থানীয় পত্রিকায় ছবি ও সংবাদ প্রকাশ হয়।
পিবিআই সূত্র জানায়, অভিযোগে উল্লেখিত কয়েকজনের নাম বা ছবি পত্রিকায় প্রকাশ হয়নি বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।
আলোকিত চট্টগ্রাম


