কক্সবাজারের চকরিয়ায় আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ মিছিলের পর সাঁড়াশি অভিযানে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ১৬ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ জুন) রাত থেকে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুর পর্যন্ত চকরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন— আব্দুল কাইয়ুম (৩২), মিজানুর রহমান (৩৪), শহিদুল ইসলাম আজাদ (২৯), উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুজ্জামান অহিদ (৪৫), জমির উদ্দিন (৫৫), জহিরুল ইসলাম মানিক (৩৭), আব্দুল জলিল (৩৪), আব্দুর রহিম (৫৩), তৌহিদ হোসেন চৌধুরী (৫৪), সোহরাব হোসেন চৌধুরী (৫৫), হেলাল উদ্দিন (৪৭), হাসান আল বশরি (৪৭), বিপ্লব বড়ুয়া (৩৪), বাবুল বড়ুয়া (৫৮), জফুর আহমদ (৬০) ও আবুল হোসেন প্রকাশ বাবলু (৩৫)।
জানা গেছে, গত বুধবার সকালে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয় কক্সবাজার-১ আসনের সাবেক এমপি ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাফর আলমকে। আদালত ৭টি মামলায় ১৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন তাঁর। জাফর আলমের বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরক আইনে চকরিয়া ও পেকুয়া থানায় ৭টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়া থানায় ৫টি ও পেকুয়া থানায় ২টি মামলা। ৫টি মামলায় ১৪দিন ও ২টি মামলায় ৪ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
আরও পড়ুন : ১৮ দিনের রিমান্ডে এমপি জাফর, বিএনপির সমাবেশ—আওয়ামী লীগের মিছিল
এদিকে সাবেক এমপি জাফর আলমকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে হয়রানি করা হচ্ছে দাবি করে প্রতিবাদ মিছিল বের করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বুধবার সকাল ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার মগবাজার এলাকায় ঝটিকা মিছিল করেন তারা। এরপর শুরু হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান।
অন্যদিকে একইদিন চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা জাফর আলমের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।
যোগাযোগ করা হলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, বুধবার রাত থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ-যুবলীগসহ বিভিন্ন আসামিদের আটক করা হয়। আটকদের আজ বিকেলে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এমকেডি/আরবি


