চট্টগ্রামে করোনা রোগী বাড়ছেই, মৃত্যুও

চট্টগ্রামে করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৬১১ জন। দুদিনে চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২৭৩ জনের।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১ হাজার ৬৩৪ নমুনা পরীক্ষায় ৬১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এর মধ্যে ৪৬৫ জন নগরের এবং ১৪৬ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

এদিকে চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যুর মিছিলও শুধু বাড়ছেই। ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪ করোনা রোগী। চারজনই উপজেলার বাসিন্দা।

চট্টগ্রামে এ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭৩৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামের মোট ৬২ হাজার ২০০ নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার (৭ জুলাই) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। আগেরদিন চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত হয় রেকর্ড ৬৬২ জনের।

সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১১৬ নমুনা পরীক্ষায় ৫৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

বিআইটিআইডি ল্যাবে ৪১৪ নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয় ১৫৫ জনের।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ল্যাবে পরীক্ষা করা হয় ১৩৩ নমুনা। এতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৫ জনের।

এছাড়া চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ২৪৩ নমুনা পরীক্ষায় ৭৭ জন, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৩ নমুনা পরীক্ষায় ২ জন, অ্যান্টিজেন টেস্টে ২৬১ নমুনা পরীক্ষায় ৮৭ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১২১ নমুনা পরীক্ষায় ৫৬ জন, শেভরন ল্যাবে ১৪০ নমুনা পরীক্ষায় ২৭ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৩১ নমুনা পরীক্ষায় ১৫ জন, জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল ল্যাবে ৪৫ নমুনা পরীক্ষায় ২৭ জন, মেডিকেল সেন্টারে ৫১ নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জন এবং এপিক হেলথ কেয়ারে ৭৬ নমুনা পরীক্ষায় ৪৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তদের মধ্যে লোহাগাড়ার ১ জন, সাতকানিয়ার ৩ জন, বাঁশখালীতে ২ জন, আনোয়ারার ১০ জন, চন্দনাইশের ১ জন, পটিয়ার ১৪ জন, রাঙ্গুনিয়ার ১০ জন, রাউজানের ১৯ জন, ফটিকছড়ির ১১ জন, হাটহাজারীর ১৮ জন, সীতাকুণ্ডের ৩২ জন, মিরসরাইয়ের ২৪ জন ও সন্দ্বীপের বাসিন্দা রয়েছেন ১ জন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের খবর জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশে এখন লকডাউন চলছে।

জেডএইচ

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm