সাড়ে ১০ লাখ টাকার জাল পোড়ানোর পরও কী থামবে ইলিশ শিকার

নিষেধাজ্ঞা চললেও আনোয়ারায় থামছে না ইলিশ শিকার। সকালের অভিযানে মিলল সাড়ে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল! পরে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ফেলে। তবে সচেতন মহলে জিজ্ঞাসা, সাড়ে ১০ লাখ টাকার জাল পোড়ানোর পরও কী থামবে ইলিশ শিকার?

সোমবার (২৮ অক্টোবর) ১০টার দিকে বঙ্গোপসাগরে চালানো অভিযানে এসব জাল জব্দ করে মৎস্য অধিদপ্তর। অভিযানে সহায়তা করে কোস্টগার্ড সদস্যরা।

মৎস্য অধিদপ্তর জানায়, মা ইলিশ রক্ষায় সারাদেশে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। আজ সকালের অভিযানে জেলেদের কাছ থেকে ৩০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে প্রকাশ্যে এসব জাল পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়। এছাড়াও অভিযানে জব্দ করা ৫০ কেজি ইলিশ ও ১১ কেজি পোয়ামাছ ৭টি এতিমখানায় দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : হালদায় মধ্যরাতে মিলল জাল আর জাল

এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রাশিদুল হক আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ রক্ষায় ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বেচাকেনা মৎস্য আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। এ সময়ে সাগরে মাছ শিকারের সময় ৩০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। এসব জালের আনুমানিক মূল্য সাড়ে ১০ লাখ টাকা।

অভিযানে আনোয়ারা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রাশিদুল হক ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মেরিন ফিশারিজ অফিসার প্রীতম চৌধুরী এবং কোস্টগার্ড সিজি সাংগু গহিরা স্টেশনের কন্টিজেন্ট কমান্ডার অনিমেষ রায়।

আরবি/আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm