কক্সবাজারের পেকুয়ায় পুকুরে বিষ ঢেলে লক্ষাধিক টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৯ অক্টাবর) রাতে উপজেলার পশ্চিম বাইম্যাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে দীর্ঘদিন ধরে শখ করে চাষ করা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ হারিয়ে হতাশ পুকুরের মালিক পশু চিকিৎসক বেলাল উদ্দিন।
বেলাল উদ্দিনের অভিযোগ, পূর্ববিরোধের জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
ভুক্তভোগী বেলাল উদ্দিন পশ্চিম বাইম্যাখালী এলাকার নুরুল হোছাইনের ছেলে। তাঁর পুকুরে রুই, কাতলা, তেলাপিয়া, পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছিল। দীর্ঘদিন ধরে শখ করে মাছগুলো লালন-পালন করছিলেন তিনি। মাছগুলোও বেশ বড় হয়ে উঠেছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরে পুকুরে মাছ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা বেলাল উদ্দিনকে খবর দেন। পরে তিনি পুকুরে গিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে থাকতে দেখেন। এ সময় স্থানীয়রা কয়েকটি মাছ তুলে পুকুর পাড়ে রাখেন। ধারণা করা হচ্ছে শুক্রবার রাতের কোনো এক সময়ে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে।
বেলাল উদ্দিন আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, শখ করে পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছিলাম। মাছগুলো বেশ বড় হয়েছিল। মাঝেমধ্যে ক্যাপা জাল দিয়ে নিজেই মাছ ধরতাম। ইচ্ছা ছিল সব মাছ একসঙ্গে ধরে প্রতিবেশীদের মধ্যেও বিলিয়ে দেব। কিন্তু পুকুরে বিষ প্রয়োগের ঘটনায় সেই ইচ্ছা আর পূরণ হলো না।
তিনি অভিযোগ করেন, মদন আলীর ছেলে শাহ আলম এর আগে আমাকে হুমকি দিয়েছিলেন। ওই বিরোধের জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা এছারুল হক ও মহিউদ্দিন বলেন, বেলাল উদ্দিন শখ করে মাছ চাষ করছিলেন। ভোরে ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় পুকুরের মাছগুলো দেখে ভালো লাগত। পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের ঘটনায় তাঁরা ক্ষোভপ্রকাশ করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এমকেডি/আলোকিত চট্টগ্রাম


