চলন্ত ট্রেনে তরুণী ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার এসএ করপোরেশনের চার কর্মচারীর দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (১ জুলাই) চট্টগ্রাম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হারুনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে রেলওয়ে পুলিশ পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে প্রত্যেকের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম জেলার কোর্ট পরিদর্শক জাকির হোসাইন মাহমুদ।
চার অভিযুক্ত হলেন— চট্টগ্রাম থেকে সিলেট যাতায়াত করা উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এসএ করপোরেশনের কর্মচারী মো. জামাল (২৭), মো. শরীফ (২৮), মো. রাশেদ (২৭) ও আব্দুর রউফ রাসেল (২৮)।
আরও পড়ুন : দলবেঁধে তরুণী ধর্ষণ—যুবককে পুলিশের পাকড়াও
এর আগে গত ২৫ জুন রাতে ভৈরব স্টেশন থেকে সিলেট থেকে চট্টগ্রামমুখী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠেন এক তরুণী। ট্রেনের খাবার ও আসবাব রাখার জন্য সংরক্ষিত বগিতে ছিলেন তিনি। এসময় এসএ কর্পোরেশনের কয়েকজন কর্মী ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। পরে রাত সাড়ে চারটার দিকে লাকসাম এলাকা পার হওয়ার সময় বগিতে জোরপূর্বক অভিযুক্ত চারজন পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।
তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে ২৬ জুন জামাল, শরীফ ও রাশেদুলকে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৭ জুন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার কুতুবপুর এলাকা থেকে আবদুর রব রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া ভুক্তভোগী তরুণীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, তিনি বান্দরবান জেলার বাসিন্দা। তিনি ভৈরবে আত্মীয়ের সঙ্গে থাকেন।
এদিকে এ ঘটনায় ক্যাটারিং সার্ভিস প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স অনির্দিষ্টকালের জন্য বাতিল করে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ওই ট্রেনের পরিচালক (গার্ড) আবদুর রহিমকেও এ ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ঘটনা তদন্তে একটি কমিটিও গঠন করা হয়।
আরএস/আরবি


