বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের কর্মী, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার এসএমএ বারীর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি)। তিনি কবি-সাংবাদিক নাজিমুদ্দীন শ্যামলের বাবা।
মরহুম ইঞ্জিনিয়ার এসএমএ বারী হাটহাজারীর পশ্চিম ধলই ইউনিয়নের সফিনগর গ্রামের মরহুম সৈয়দ মো. আব্দুল আজিজ সারেংয়ের বড় ছেলে। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে তিনি কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। ছাত্র অবস্থায় আন্দোলনের কর্মী হিসেবে তিনি কাটিরহাটে রেললাইন উপড়ে ফেলেন। এ সময় তিনি পুলিশের হাতে আটক হয়ে তিনদিন জেলে ছিলেন। পরে আন্দোলনের অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে তিনিও মুক্ত হন।
আরও পড়ুন : মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে ৭২-এর সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেও পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিলেন এসএমএ বারী। উদালিয়া চা বাগান ক্যাম্পে তিনি আটক হন। প্রায় এক সপ্তাহ পর তিনি কৌশলে ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যান।
জীবদ্দশায় প্রকৌশলী হিসাবে দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এসএমএ বারী। যার মধ্যে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, জিইএম প্ল্যান্ট, চট্টগ্রাম স্টীলমিল, জিয়া সার কারখানা, শিপিং কর্পোরেশনের সদর দপ্তর উল্লেখযোগ্য।
এদিকে মরহুমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পতেঙ্গার বাসভবনে মিলাদ মাহফিল ও খতমে কোরআনের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া পতেঙ্গার কাঠগড়ের কবরস্থানে হবে জিয়ারত ও খতমে কোরআন।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ২৫ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ইঞ্জিনিয়ার এসএমএ বারী।
আলোকিত চট্টগ্রাম
