যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সম্মেলনের মাধ্যমে শুধু নতুন নেতৃত্বই গঠিত হবে না বরং একটি নতুন অধ্যায়েরও সূচনা হবে।
সোমবার (৩০ মে) দুপুরে নগরের দি কিং অব চিটাগাং-এ নগর যুবলীগের সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নতুন নেতৃত্বের হাতে অনেক চ্যালেঞ্জ। তাদের নতুনভাবে দল গুছাতে হবে। একইসঙ্গে আগামী নির্বাচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে। নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এক হতে হবে, গ্রুপিং বন্ধ করতে হবে, অনৈতিক ও অপরাধমূলক কাজ বন্ধ করতে হবে। সর্বোপরি যুবলীগ করতে হলে স্বচ্ছ ও ন্যায়ের রাজনীতি করতে হবে।
এদেশে শেখ হাসিনার চেয়ে বিশ্বাসযোগ্য আর কেউ নেই উল্লেখ করে পরশ বলেন, সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে নীল নকশা তৈরি করছে একটি মহল। এ অপচেষ্টা বাস্তবায়ন করতে এক-এগারোর কুশীলবরা উঠেপড়ে লেগেছে। কিন্তু এটি কখনো সম্ভব না। কারণ শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে।
আরও পড়ুন: উত্তর জেলা যুবলীগ—সম্মেলনে পরশের কড়া বার্তা
তিনি আরও বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে যখন বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় ছিল তখন সীমাহীন দুর্নীতি, অন্যায়-অবিচার, গুম, হত্যা, খুন বেড়ে গিয়েছিল। যা দেশের জনগণ জ্ঞাত। সেই সময় জনগণ সরকারকে হটাতে বাধ্য হন। এবার ২০২৩ সালে আবারও জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় আনতে পরিশ্রম করতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।
কথিত সুশীলরা আরও একটি এক-এগারোর আয়োজন করতে চায় উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ক্ষমতার লোভে আপনারা এসব অপরাধ বন্ধ করেন। কোনো জাতীয় সংকটে তো আপনারা জনগণের পাশে থাকেন না। শেখ হাসিনা ন্যায়ের প্রতীক। আপনারা ভুলে যাবেন না, তিনি জানেন জনগণই তাঁর শক্তি। সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে পরশ বলেন, গণমাধ্যম দেশের চতুর্থ স্তম্ভ। সরকার ব্যর্থ- এটা প্রমাণ করতে দেশের কিছু গণমাধ্যম বিরোধী দলের ভূমিকায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ সমাজের একটি মহল সবসময় মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। দেশের ধারাবাহিক গণতন্ত্র তাদের পছন্দ নয়।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী সময়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন পরশ।
