স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস ঘিরে চট্টগ্রামে বিএনপির বড় আয়োজন, যা থাকবে

মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রামে থাকবে বিএনপির বিশাল আয়োজন। কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত এ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভাও করেছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের দোস্ত বিল্ডিংয়ের দলীয় কার্যালয়ে এ সভা হয়। সভায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র চত্বরে মশাল প্রজ্বলন এবং বিপ্লব উদ্যানে কেন্দ্রীয় সমাবেশকে ঘিরে বিভিন্ন প্রস্তুতির দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন করেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীনের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম।

তিনি বলেন, বিজয় দিবস উদযাপনের প্রথম কেন্দ্রীয় কর্মসূচি শুরু হবে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই। স্বাধীনতার ঘোষণা যার কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল সেই কালুরঘাট আবারো একই প্রতীকী মাহাত্ম্য নিয়ে নতুন কর্মসূচির সূচনা করবে। পরে বিপ্লব উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে বিশাল সমাবেশ, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, বিপ্লব উদ্যানে জিয়াউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা, জনগণ, সকলের স্মৃতি আছে। এখানকার প্রতিটি চত্বরে ইতিহাসের দাগ লেগে আছে।

সমাবেশে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শাসনের নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও দক্ষিণ জেলা বিএনপি অতীতের মতো এবারও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে। হাসিনামুক্ত বাংলাদেশে এবারের বিজয় দিবস কর্মসূচি হবে এক নতুন ইতিহাসের সূচনা।

সভায় প্রধান বক্তা ছিলের বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আর সেই কারণেই আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ। কালুরঘাট শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি জাতীয় চেতনার জন্মভূমি। তাই বিজয় দিবসের কর্মসূচিও শুরু হবে সেখান থেকেই। শেষ হবে বিপ্লব উদ্যানে মহাসমাবেশের মাধ্যমে। স্বৈরাচারমুক্ত নতুন বাংলাদেশে এবার সর্বস্তরের মানুষ আরও উজ্জীবিতভাবে বিজয় দিবস উদযাপন করবে।

বিএনপির জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিপ্লব উদ্যানের সমাবেশ গণজোয়ারে ইতিহাস সৃষ্টি করবে।

 দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও অতীত অবদান স্মরণ করে মীর হেলাল বলেন, দক্ষিণ জেলা বারবার ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না।

প্রস্তুতি সভায় বিজয় দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সব কর্মসূচি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সাংগঠনিক নির্দেশনা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতার জন্য সবার দোয়া কামনা করা হয়।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, জামাল হোসেন, রেজাউল করিম নেচার, সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু, সদস্য বদরুল খায়ের চৌধুরী, এস এম মামুন মিয়া, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, নাজমুল মোস্তফা আমিন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মাস্টার মোহাম্মদ লোকমান, মাস্টার মোহাম্মদ রফিক, সাজ্জাদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির, আমিনুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক বেলাল, জসিম উদ্দিন, সালাউদ্দিন চৌধুরী সোহেল, ফৌজুল কবির ফজলু, ইখতিয়ার হোসেন ইফতু, খন্দকার হেলাল উদ্দিন, মেহেদী হাসান সুজন, দিল মোহাম্মদ মনজু, এম মনছুর উদ্দিন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, শাহাদাত হোসেন সুমন, দেলোয়ার হোসেন, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবিউল হোসেন রবি, জেলা বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম, মো. সালাউদ্দিন, জাহেদুল হক, আব্দুল মইয়ুম চৌধুরী ছোটন, আবু তাহের বিএসসি, রবিউল হোসেন বাদশা, সাইফুল করিম, ছলিম উল্লাহ চৌধুরী ডালিম, গিয়াস উদ্দিন হিরু, মামুন খান, মো. হারুন, নুরুল আলম কোম্পানী, জেলা ছাত্রদল নেতা তারেক রহমান ও মোফাচ্ছল হোসেন জুয়েল।

আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm