পটিয়ায় আন্তঃজেলা প্রতারণা চক্রের সক্রিয় তিন সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে সৌদি রিয়াল, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এ অভিযান চালায় পটিয়া থানা পুলিশ।
জানা যায়, পটিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের ডাক বাংলো সংলগ্ন মাদ্রাসা রোড এলাকার হার্ডওয়ারের দোকানদার মোহাম্মদ আলকাছ মিয়ার সঙ্গে ফেরিওয়ালা পরিচয়ে চক্রের এক সদস্য প্রথমে সখ্যতা গড়ে তোলে। পরে চক্রের অন্য সদস্যদের সহযোগিতায় তাকে সৌদি রিয়াল দেখিয়ে বিক্রির প্রলোভন দেখায়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে চক্রটি আলকাছ মিয়ার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান শুরু করে।
অভিযানে প্রথমে পটিয়া পৌরসভার পাইকপাড়া এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার লিয়াকত আলী খানকে (৫৫) গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তার দেওয়া তথ্যে চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ফুলতলা এলাকা থেকে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার মো. সোহেল বেগ (৩৩) এবং মো. জাহিদ খান ওরফে শহিদকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত সৌদি রিয়ালের ২০টি (১০০ রিয়েল মূল্যমান) নোট, ৮টি মোবাইল ফোন ও নগদ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রতারনার শিকার ব্যবসায়ী আলকাছ মিয়া বলেন, আমি একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। ওরা ফেরিওয়ালার ছদ্মবেশে আমার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। পরে সৌদি রিয়াল দেখিয়ে বলে, এগুলো সস্তায় বিক্রি করবে। আমি বিশ্বাস করে ৫ লাখ টাকা দিই। কিন্তু ওরা টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
যোগাযোগ করা হলে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, গ্রেপ্তাররা দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃজেলা প্রতারণা চক্রের সদস্য হিসেবে সক্রিয় ছিল। তারা কৌশলে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করে প্রতারণা করে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তারদের আজ (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কেএ/আলোকিত চট্টগ্রাম

