ঐ দূরে আকাশ নুয়ে পড়েছে। বিকেলের ক্লান্ত সূর্য হেলান দিয়েছে পশ্চিমের আকাশে। সাগরের নীল জলে সুনীল উচ্ছ্বাসে মেতেছে কিছু মানুষ। সাগর বেলায় প্রিয়জনের সাথে প্রিয় কিছু মুহূর্ত।
শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বাড়ছে পর্যটক। সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট— সবখানেই বাড়ছে পর্যটকের ঢল। সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিল ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সৈকতে পর্যটকের পাশাপাশি ছিল স্থানীয়দের উপস্থিতিও।
ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে এসেছেন ব্যবসায়ী রবিউল হাসান। তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে বছরের এ সময়টাতে ঘুরতে যাই। সবাই মিলে সুন্দর কিছু সময় কাটাতেই কক্সবাজারকে বেছে নেওয়া।
বরিশাল থেকে আসা হোসনে আরা বলেন, সমুদ্র কার না ভালো লাগে? সাগরের টানেই কক্সবাজার আসা।
ঢাকার ধানমণ্ডি থেকে আসা সৌরভ আহমেদ বলেন, পর্যটকরা যাতে হয়রানি শিকার না হন সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি। বিচে হকার—ফটোগ্রাফারদের উৎপাত কিছুটা কমেছে। তবে রেস্তোরাঁ ও আবাসিক হোটেলগুলো যাতে অতিরিক্ত দাম না নেয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় দিন—রাত কাজ করে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যেখানেই অনিয়ম বা হয়রানির খবর পাওয়া যাবে সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধান করাই একমাত্র লক্ষ্য ট্যুরিস্ট পুলিশের। তাই কোথাও কোনো পর্যটক যদি হয়রানি বা অনভিপ্রেত কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন তাহলে ট্যুরিস্ট পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।
পর্যটকের ঢল সামায় সাগরতীরের হোটেলগুলোতেও বাড়েছে ব্যস্ততা। হোটেল ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান, রুম বুকিং হয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। আগামী সপ্তাহ থেকে বুকিং আরো বাড়বে।
রুমের ভাড়া বাড়তি আদায় করা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু অনলাইনে বেশিরভাগ রুম বুকিং হয় ফলে বাড়তি ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেই।
আলোকিত চট্টগ্রাম


