লকডাউনে কর্মহীন কেউ অভুক্ত থাকবে না

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ বলেছেন, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন চলাকালীন কর্মহীন ও অসহায় মানুষেরা কেউ অভুক্ত থাকবে না। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে। সরকারের নির্দেশনায় সমাজের দুস্থ, হতদরিদ্র ও অস্বচ্ছল মানুষের হাতে সরকারের দেওয়া উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এ সময়ে কর্মহীন কোনো মানুষ যাতে সরকারি সহযোগিতা থেকে বাদ না পড়ে সেদিকে তদারকি করা হচ্ছে।

রোববার (৪ জুলাই) সকাল ১১টায় এমএ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম হলে ডেকোরেটার্স মালিক-শ্রমিক সংগঠনের অস্বচ্ছল ৩’শ সদস্যের মাঝে সরকার প্রদত্ত উপহার সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত যারা প্রকাশ্যে সাহায্য নিতে সংকোচবোধ করছে বা সাহায্য চেয়ে ৩৩৩ নম্বরে ফোন ও এসএমএস করেছেন তাদের রাতে বাসায় গিয়ে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। আমরা চাই এই পরিস্থিতিতে কেউ অনাহারে ও কষ্টে থাকবে না।

এ সময় তিনি করোনা মোকাবেলায় সচেতনতা, শারীরিক দুরত্ব বজায় ও মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

Yakub Group

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে যেসব শ্রমজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে তাদের প্রত্যেককে ত্রাণের আওতায় আনা হবে। লকডাউনে কর্মহীন মানুষের সহায়তায় সরকারের পাশাপাশি সমাজের ধনার্ঢ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস.এম জাকারিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাজমুল আহসান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুর জাহান আক্তার সাথী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সজীব কুমার চক্রবর্তী, জেলা নাজির মো. জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

ত্রাণ বিতরণ কাজে সহযোগিতা করেন স্বেচ্ছাসেবক টিম সার্ক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা ।

প্রতি প্যাকেট উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল-১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবন, ১ লিটার সয়াবিন তেল ও ১টিঁ সাবান।

আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm