রাতভর মারধরের পর নাজমাকে কুপিয়ে খুন করেন সাইফুল

স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের দায়ে স্বামী মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় ভুক্তভোগীর শ্বশুর জামশেদ আলমকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. সরওয়ার আলম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. সাইফুল ইসলাম জোরারগঞ্জ থানার জনার্দ্দনপুর শহীদ কন্ট্রাক্টর বাড়ির জামশেদ আলমের ছেলে।

আরও পড়ুন : চকরিয়ায় কোদাল দিয়ে কুপিয়ে খুন, নেপথ্যে পাওনা টাকার দ্বন্দ্ব

বিষয়টি আলোকিত চট্টগ্রামকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পিপি অ্যাড. ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। তিনি বলেন, ২০১৩ সালে স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামী মো. সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আসামির উপস্থিতিতে রায় দেন আদালত। এসময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালে শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয় নাজমা আক্তার ও মো. সাইফুল ইসলামের। তাদের একটি ছেলে সন্তানও জন্ম নেয়। তবে নাজমার সঙ্গে স্বামী সাইফুলের বনিবনা না হওয়ায় নাজমা বেশিরভাগ সময় বাবার বাড়িতে থাকতেন। ২০১৩ সালের ১২ জুন বাবার বাড়ি থেকে নাজমাকে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যান শ্বশুর জামশেদ ও চাচা শ্বশুর হুমায়ুন কবির। তবে থেকে যায় পারিবারিক দ্বন্দ্ব। সেই বিরোধের জেরে একই বছরের ১৮ জুন সারারাত মারধরের পর নাজমাকে কুপিয়ে খুন করেন স্বামী সাইফুল।

এ ঘটনায় ১৯ জুন নাজমার ভাই আনোয়ার হোসাইন বাদী হয়ে জোরারগঞ্জ থানায় মামলা করেন। একই বছরের ১৫ নভেম্বর সাইফুল ও তার বাবা জামশেদকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. ইস্রাফিল। এ মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

আরএস/আরবি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm