পটিয়ায় মাদকের ‘বড়’ একটি চালান ধরেছে র্যাব-৭। অভিযানে সবমিলিয়ে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা মূল্যের ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি মাইক্রোবাসসহ আটক করা হয় ৫ মাদক কারবারিকে।
রোববার (৯ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে র্যাব।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় কিছু মাদক ব্যবসায়ী কক্সবাজার থেকে দুটি হাইয়েস মাইক্রোবাসে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে চট্টগ্রামের দিকে আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ৮ নভেম্বর (শনিবার) সকাল সাড়ে আটটার দিকে র্যাব-৭ এর একটি দল পটিয়ার মোজাফফরাবাদ কাদের ফিলিং স্টেশনের সামনে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চেকপোস্ট বসায়। এ সময় সন্দেহভাজন দুটি মাইক্রোবাস সেখানে পৌঁছালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে মেসার্স নজরুল এন্ড কোম্পানি ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে একটি মাইক্রোবাস আটক করে। গাড়ি থেকে আটক করা হয় লক্ষ্মীপুর জেলার লক্ষ্মীপুর সদর থানার পাটোয়ারী বাড়ির আব্দুল মতিনের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (৪১), কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার রসুলপুর গ্রামের ফিরোজের ছেলে মো. মাঈন উদ্দিন (৩০), পটিয়া পৌরসভার হাবিবুরপাড়ার আবদুল হামিদের ছেলে মো. রাশেদুল আলম (৩৮), একই উপজেলার কাগজীপাড়া আল্লাই এলাকার সিদ্দিক আহমদের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (৪১) এবং জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী থানার আবদুস সামাদ তরফদারের ছেলে মো. জুনায়েদ তানভীর তরফদারকে (২৯)।
তল্লাশি চলাকালে আব্দুল্লাহ আল মামুনের পকেট থেকে ১০ পিস ইয়াবা এবং গাড়ির সিটের নিচ থেকে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫১৫ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জানা যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। তাদের দেওয়া তথ্যে পটিয়া থানার কচুয়াই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের অপর একটি মাইক্রোবাসের ভেতরে রাখা ছাই রঙের ব্যাগ থেকে সুকৌশলে লুকানো ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, উদ্ধার করা মাদকের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তাদের পটিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, র্যাব সবসময় মাদক নির্মূলে বদ্ধপরিকর। মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো ছাড় নেই। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে র্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কেএ/আলোকিত চট্টগ্রাম
