আজ ২৫ জানুয়ারি, মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার এসএমএ বারীর ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী৷ কবি-সাংবাদিক নাজিমুদ্দীন শ্যামলের বাবা ইঞ্জিনিয়ার বারী ২০০২ সালের এই দিনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের পতেঙ্গার বাসভবনে আজ মিলাদ মাহফিল, খতমে কোরানসহ নানা আয়োজন করা হয়।
এক বীরের নাম বারী
স্কুলে পড়া অবস্থায় জেলে যেতে হয় এসএমএ বারীকে। যিনি ছিলেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কর্মী এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক।
ইঞ্জিনিয়ার এসএমএ বারী হাটহাজারীর পশ্চিম ধলই ইউনিয়নের সফিনগর গ্রামের মরহুম সৈয়দ মো. আব্দুল আজিজ সারেংয়ের প্রথম ছেলে। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন চলাকালে তিনি কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। ছাত্রাবস্থায় আন্দোলনের কর্মী হিসেবে তিনি কাটিরহাটে রেললাইন তুলে ফেলেন। সেই সময় তিনি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে তিনদিন কারাবন্দী ছিলেন। পরে অন্যান্যদের সঙ্গে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তাকে উদালিয়া চা বাগান ক্যাম্পে আটক করে। এক সপ্তাহ পর তিনি কৌশলে ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যান।
জীবদ্দশায় প্রকৌশলী হিসাবে দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণকাজে যুক্ত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার এসএমএ বারী। এর মধ্যে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, জিইএম প্ল্যান্ট, চট্টগ্রাম স্টিলমিল, জিয়া সার কারখানা, শিপিং করপোরেশনের সদর দপ্তর উল্লেখযোগ্য।
আলোকিত চট্টগ্রাম

