বায়েজিদে এক মোটরসাইকেল চোরকে ধরল জনতা, পুলিশ খুঁজে বের করল পুরো চক্রকে

বায়েজিদের শেরশাহ কলোনী এলাকায় নিজের মোটরসাইকেল বাসার নিচে রেখে ইফতার করতে যান ঠিকাদার নজরুল ইসলাম। হঠাৎ স্থানীয় লোকজনের চিৎকার শুনে নিচে নেমে দেখেন তাঁর মোটরসাইকেলটি চুরি করার সময়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছে সাকিব (২০) নামে এক চোর।

এ সময় স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে তাৎক্ষণিক পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর ওই ঠিকাদার মামলা করেন। সেই মামলায় সাকিবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব আরও চার জনের নাম বলে পুলিশকে।

এরপর বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) রাতভর সীতাকুণ্ডে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি মোটরসাইকেলসহ চোরচক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন: যুবক খুন—আড়ালে পুকুরঘাটে দুই নারীর ঝগড়া

গ্রেপ্তাররা হলেন— সীতাকুণ্ডের ছলিমপুর ইউনিয়নের লতিফনগর এলাকার মীর হোসেনের ছেলে মো. সাকিব, বড় কুমিরা উত্তর মছজিদা পুর্নবাসন প্লট এলাকার মৃত রফিক মিয়ার ছেলে মো. সোহেল (২৯), বাঁশবাড়িয়া বোয়ালিকুল এলাকার দিদারুল আলমের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২২), একই ইউনিয়নের মুক্তিপাড়া এলাকার মো. ইউনুছের ছেলে মো. পারভেজ (২২) ও শীতলপুর ইউনিয়নের বারআউলিয়া এলাকার মো. মাহবুবুল আলমের ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন রাব্বী (২২)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সাকিব, মিরাজ, আজাদ মোটরসাইকেল চুরি করে। তাদের চোরাই মোটরসাইকেলগুলো সংরক্ষণ করে বিক্রির জন্য জাহিদুলের কাছে সরবরাহ করে সোহেল। চোরাই মোটরসাইকেলের ডিলার জাহিদুল সেগুলো পাইকারি দামে বিক্রি করে পারভেজ, কামরুল ও রাব্বীর কাছে। তারা চেসিস, ইঞ্জিন নম্বর বদলিয়ে খুচরা মূল্যে বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রি করে।

বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, সাকিবকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে চোরচক্রের আরও চার সদস্যের নাম বলে। এরপর সীতাকুণ্ডে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি মোটরসাইকেলসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি বলেন, গ্রেপ্তার সবাই পেশাদার চোরচক্রের সদস্য। তারা মোটরসাইকেল চুরি করে সংরক্ষণ, বিতরণ ও বিপণনে কাজ করে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এসআই/আলোকিত চট্টগ্রাম

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।

ksrm