বাঁশখালী চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। হয়েছে জিডিও। তবে তিনি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।
বুধবার (৩ জানুয়ারি) রাতে চেয়ারম্যান মুজিবুল হকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঈগল সমর্থক কালু সওদাগর নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
এরপর আজ (বৃহস্পতিবার) ট্রাক প্রতীক প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট শাহাদাত হোসাইন চৌধুরী বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় জিডি করেছেন।
আরও পড়ুন : বাঁশখালীতে মুজিবুর সমর্থকদের বিরুদ্ধে মোস্তাফিজুর সমর্থকের মামলা
পুলিশ জানায়, পুঁইছড়িতে ঈগল প্রতীকের অফিস ভাঙচুর, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে ৩ জানুয়ারি রাতে চেয়ারম্যান মুজিবুল হকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঈগল সমর্থক কালু সওদাগর মামলা করেন। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মামলার বাদী কালু সওদাগর বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর বিকেলে পূর্ব পুঁইছড়ির ছইলানী বাজারের ঈগল প্রতীকের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করে মিছিলে নিয়ে আসা ৭০/৮০ জন। ওই মিছিলে নেতৃত্ব দেন চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী। মিছিলে নৌকা প্রতীক প্রার্থী এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
জিডির বাদী শাহাদাত চৌধুরী বলেন, আমি ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তায় প্রচারণা চালানোর সময় আমাকে অকথ্য ভাষায় প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী। তাই এ ঘটনায় জিডি করেছি।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বাঁশখালী থানার ওসি তদন্ত সুধাংশু শেখর হালদার আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, আসামিরা পলাতক, তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
ইউবি/আরবি


