ফয়’স লেকের সেই হোটেলগুলোর জমজমাট বাণিজ্যে বাধা ‘নতুন ওসি’

১ মাসে ৬ অভিযান, ৪৫ যৌনকর্মীর সঙ্গে ১০ খদ্দের আটক

নগরের ফয়’স লেকের চিহ্নিত কয়েকটি হোটেলে দেহ ব্যবসা অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। খুলশি থানায় ওসি আসে, ওসি যায়; কিন্তু বদলায় না এসব হোটেলের চিত্র। গণমাধ্যমে প্রতিবেদন হলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই সেই আগের অবস্থা। ফের জমজমাট হয় চিহ্নিত এসব হোটেলের দেহ বাণিজ্য।

তবে এবার বোধহয় পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে। আফতাব হোসেন খুলশি থানার ওসি পদে যোগ দেওয়ার পর থেকেই চিহ্নিত এসব হোটেলে চলছে একের পর এক অভিযান। এভাবে গত এক মাসে এসব হোটেলে ৬ বার অভিযান চালিয়েছে খুলশি থানা পুলিশ। এসব অভিযানে ৪৫ জন যৌনকর্মীর সঙ্গে আটক করা হয় ১০ খদ্দেরকেও।

সর্বশেষ গত বুধবার (৭ মে) রাত ৮টার দিকে চালানো হয় অভিযান। এ সময় হোটেল রুপসী বাংলা ও হোটেল প্রিন্স থেকে ১১ জন যৌনকর্মীর সঙ্গে আটক করা হয় ৩ খদ্দেরকে। তারা সবাই এসব হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত ছিল।

স্থানীয়রা জানান, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রুপসী বাংলা হোটেল ও হোটেল প্রিন্সে চলছিল দেহ ব্যবসা। রুপসী বাংলা হোটেল নিয়ন্ত্রণ করে সুমন আল আমিন ও মো. ফরিদ প্রকাশ ডিবি ফরিদ। আর হোটেল প্রিন্স নিয়ন্ত্রণ করেন রাজু ও রাসেল নামে দুই যুবক। তারা সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

স্থানীয়রা আরও জানান, ফয়’স লেক এলাকার চিহ্নিত হোটেলগুলোতে নিয়মিত চলে দেহ বাণিজ্য। খুলশি থানায় অনেক ওসি এলেও এভাবে টানা অভিযান চালাতে কোনো ওসিকে দেখিনি। এবার বোধহয় এ কলঙ্ক থেকে মুক্তি পাবে স্থানীয় বাসিন্দারা।

যোগাযোগ করা হলে খুলশি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব হোসেন আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, আমি মাত্র এক মাস আগে খুলশি থানায় যোগ দিয়েছি। এই এক মাসে ৬ বার অভিযান চালিয়েছি। ৪৫ জন যৌনকর্মীসহ ১০ জন খদ্দেরকে আটক করেছি। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেহ ব্যবসার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত চট্টগ্রাম

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm