করোনাযুদ্ধে নতুন অস্ত্র ‘প্যাক্সলোভিড’ পিল আনছে ফাইজার

এবার ফাইজারের তৈরি পিল ‘প্যাক্সলোভিড’ পাওয়া যাবে বাংলাদেশে।

নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের ৯৫টি দেশে এই ওষুধ সরবরাহ করবে পারবে জেনেরিক ওষুধ প্রস্তুতকারকরা।

প্রস্তুতকারকদের কাছে ‘প্যাক্সলোভিড’ ব্র্যান্ড নামে পিলটি বিক্রি করবে ফাইজার। এই ৯৫ দেশের মধ্যে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে ওষুধটি বিক্রিতে কোনো রয়্যালিটি নেবে না তারা। তাই হয়ত বাংলাদেশে কম দামে পাওয়া যাবে ওষুধটি।

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য গোষ্ঠী মেডিসিন্স প্যাটেন্ট পুলের (এমপিপি) সঙ্গে লাইসেন্স ভাগাভাগির আওতায় দ্বিতীয় হিসেবে ফাইজার মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) এ ঘোষণা দেয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

লাইসেন্সিং ভাগাভাগির চুক্তি অনুযায়ী, এর আওতায় জাতিসংঘ সমর্থিত এমপিপি ফাইজারের পিএফ-০৭৩২১৩৩২ ওষুধটির নিজস্ব সংস্করণ তৈরিতে যোগ্য জেনেরিক ওষুধ প্রস্তুতকারকদের ‘সাব-লাইসেন্স’ দিতে পারবে।

আরও পড়ুন : এইমাত্র পাওয়া—ফাইজারের করোনার টিকার প্রথম চালান বাংলাদেশে

ফাইজার বলছে, পরীক্ষামূলক প্রয়োগে মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যু ৮৯ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে এই পিল। এটির প্রমাণও পেয়েছে তারা।

Thai Food

কোভিড-১৯ চিকিৎসায় ফাইজারের আগে প্রতিদ্বন্দ্বী মার্ক অ্যান্ড কোম্পোনি একই প্রক্রিয়ায় জেনেরিক ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’ তৈরির লাইসেন্স দিয়েছে। ইতোমধ্যে ওষুধটি বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি কোম্পানি তৈরি করে বাজারেও এনেছে।

এমএমপির নির্বাহী পরিচালক চার্লস গোর বলেন, আমাদের অস্ত্রভাণ্ডারে নতুন আরেকটি অস্ত্র যোগ হলো। কোভিড-১৯ এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মানুষের প্রতিরক্ষায় এটি বেশ কাজ দেবে। আমার খুবই আনন্দিত।

কয়েক মাসের মধ্যে ফাইজারের ওষুধটির জেনেরিক সংস্করণ বাজারে পাওয়া যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেন গোর।

আরও পড়ুন : হাতের নাগালে করোনার ওষুধ, দাম কত—কতটা কার্যকর

লাইসেন্স চুক্তির আওতায় থাকা বিশ্বের প্রায় ৫৩ শতাংশ মানুষের বাস এই ৯৫টি দেশে। এর মধ্যে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ ও সাব-সাহারা আফ্রিকার উচ্চ-মধ্যম-আয়ের দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত।

ফাইজারের প্রধান নির্বাহী আলবার্ট বৌরলা এক বিবৃতিতে বলেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণের ভয়াবহতা কমাতে মুখে খাওয়ার এই ওষুধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

প্রতিটি দেশের আয়ের ভিত্তিতে দর নির্ধারণী পদ্ধতি ব্যবহার করে ওষুধটি বিক্রি করা হবে বলে জানায় ফাইজার। যুক্তরাষ্ট্রে একটি কোর্সের দাম মার্কের মতোই প্রায় ৭০০ ডলার নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

আলোকিত চট্টগ্রাম
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm