মন্দির ভাঙচুরসহ নানা অভিযোগ—সেই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৭ নম্বর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসীম কুমার দেবের বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন শেষ নেই।

মন্দির ভাঙচুর, ওয়ারিশ সনদে টাকা দাবি, জাল ওয়ারিশ সনদ প্রদান, নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার এবং সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুন: নিখোঁজের ৪ দিন পর মিলল বস্তাবন্দী লাশ—খুনের অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে

এর আগে মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ৭ নম্বর সদর ইউনিয়ন এলাকাবাসীর ব্যানারে উপজেলা পরিষদের সামনে অসীম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদের কাছে স্মারকলিপি দেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ারা সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বোয়ালগাঁও গ্রামের মৃত মধুসুদন মিত্রের একমাত্র কন্যা মিনু রানী গুপ্ত বাবার জমি জমার নামজারীর জন্য ওয়ারিশ সনদ চেয়ে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার জন্য চেয়ারম্যানের কাছে সুপারিশও করেন। কিন্তু ওয়ারিশ সনদ দিতে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন অসীম চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে মিনু রানী গুপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন।

Thai Food

বোয়ালগাঁও গ্রামের জোটন মিত্র অভিযোগ করেন, তার দাদা মৃত রঞ্জন মিত্রর ওয়ারিশ হিসেবে প্রমথ রঞ্জন মিত্র নামে এক ব্যক্তির নামে জাল ওয়ারিশ সনদ ইস্যু করেন চেয়ারম্যান অসীম কুমার দেব। ভূমি অফিসে জমি নামজারি করতে গেলে বিষয়টি ধরা পড়ে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছি।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধী শিশুকে পিটিয়ে রক্তাক্ত, দোকান লুট—অভিযোগ গেল থানায়

এদিকে মিহির চক্রবর্তী নামের একজন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি হালনাগাদ ওয়ারিশ সনদের জন্য আবেদন করলেও চেয়ারম্যান ওয়ারিশ সনদ দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান অসীম কুমার দেব আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।

যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের আহমেদ আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, আনোয়ারা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসীম কুমার দেবের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিমকে দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পূর্বে কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।

ইমরান/আরবি

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm