৩ যুবকের কাণ্ড—সাগর উপকূলে নিয়ে ধর্ষণ করল তরুণীকে, সিকিউরিটি গার্ডরা হাতেনাতে ধরল একজনকে

সীতাকুণ্ডের বোয়ালিয়াকূল সাগর উপকূলে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী (২৪)।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন গার্মেন্টসকর্মী ওই তরুণী।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সোনাইছড়ির এক টেক্সটাইল কারখানা থেকে কাজ শেষ করে বাবার বাড়ি ফিরছিলেন ওই তরুণী। কোম্পানির গাড়ি তাকে বাঁশবাড়িয়া নামিয়ে দেয়। এরপর তিনি বাড়ি যাওয়ার জন্য সিএনজি অটোরিকশা খুঁজতে থাকেন। এরমধ্যে পূর্বপরিচিত কাজীপাড়া গ্রামের মৃত খাইরুল বশরের ছেলে মো. আব্দুল আলী লিংকন (৩২) তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দেবে বলে একটি প্রাইভেট কারে তোলে।

আরও পড়ুন: কিশোরীকে ধর্ষণ করেছিলেন ম্যারাডোনা, দরজার বাইরে কাঁদছিলেন মা

গাড়িটি চালাচ্ছিলেন সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জোড় আমতল ঘোড়ামরা এলাকার নুর মিয়ার ছেলে মো. হান্নান (৩২)। কিন্তু ওই তরুণীর বাবার বাড়ির সামনে না দাঁড়িয়ে কারটি দ্রুত চালিয়ে বোয়ালিয়াকূল সাগর উপকূলে শুকতারা নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঘরের পাশে নিয়ে যায় গাড়ির চালক। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষা করছিল বোয়ালিয়াকূল গ্রামের মৃত মহরম আলীর ছেলে মো. জাহিদ (২৫)। এরপর তিন জন মিলে ওই তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই তরুণীর চিৎকার শুনে বসুন্ধরা কোম্পানি প্রজেক্টের পাঁচজন সিকিউরিটি গার্ড এসে জাহিদকে আটক করে। তবে বাকি দুজন পালিয়ে যায়। পরে গার্ডরা পুলিশে খবর দিলে তারা জাহিদকে আটক করে।

বৃহস্পতিবার সকালে ধর্ষক জাহিদকে আদালতে নিয়ে গেলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই টিবলু কুমার মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, ধর্ষকদের দুজনই হচ্ছে ধর্ষিতার একই এলাকার। তাই তারা বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিলে ওই নারী বিশ্বাস করেন। কিন্তু তারা ওই নারীকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

আরও পড়ুন: বায়েজিদে রাতের আঁধারে মহানগর পাহাড়ে ধর্ষণ౼অভিযানে আটক ধর্ষক

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, এ ঘটনায় বসুন্ধরা কোম্পানির সিকিউরিটি গার্ডরা এক ধর্ষককে ধরে আমাদের দিয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানোর পর সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং তার সঙ্গে আরো দুই জন থাকার কথাও জানায়। জড়িত অপর দুই আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সালাউদ্দিন/ডিসি

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm