বাংলাদেশ ঢুকল এইচএমপিভি (হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস) ভাইরাস। দেশে একজনের শরীরে এইচএমপিভি ভাইরাস শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।
আক্রান্ত ব্যক্তি একজন নারী। তাঁর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে। এইচএমপিভির পাশাপাশি তাঁর শরীরে আরো একটি ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত হয়েছে।
এর আগে গত ৮ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, কোভিড-১৯ মহামারির পর চীনে বাড়ছে এইচএমপিভির সংক্রমণ, যা স্বাস্থ্য সংকটে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে চীনের হাসপাতালগুলোতে রোগীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। কিছু সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীর দাবি, দেশটিতে এইচএমপিভি, ইনফ্লুয়েঞ্জা এ, মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া এমনকি কোভিড-১৯ এর মতো একাধিক ভাইরাসের উপস্থিতি বেড়েছে।
প্রতিবেদন মতে, এইচএমপিভি ফ্লু’র মতো উপসর্গ। বিশেষ করে শিশু এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে গুরুতর শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
এইচএমপিভি কী, কীভাবে ছড়ায়
এইচএমপিভি মূলত শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস। যা ওপরের এবং নিচের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়। এটি সব বয়সের ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে। তবে শিশু, বয়স্ক এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের জন্য ভাইরাসটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। ২০০১ সালে প্রথম সনাক্ত করা হয় এইচএমপিভি।
এইচএমপিভির সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে কাশি, জ্বর, নাক বন্ধ হওয়া এবং শ্বাসকষ্ট। গুরুতর ক্ষেত্রে ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। সাধারণত তিন থেকে ছয় দিনের মধ্যে হয়। তবে সংক্রমণের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে লক্ষণগুলো বিভিন্ন সময়কালের জন্য স্থায়ী হয়।
এইচএমপিভি অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতোই ছড়ায়। যার মধ্যে রয়েছে কাশি এবং হাঁচি থেকে নিঃসরণ, হাত মেলানো বা স্পর্শ করা, সংক্রমিত স্থান স্পর্শ করা এবং তারপর মুখ, নাক বা চোখ হাত দিয়ে স্পর্শ করা।
আলোকিত চট্টগ্রাম


