দুই অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার—নারীসহ আটক ৬

নগরে পৃথক অভিযানে প্রায় ১৪ কেজি গাঁজাসহ ৬ মাদক কারবারিকে আটক করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

১৮ ও ২০ নভেম্বর (বৃহস্পতি ও শুক্রবার) পরিচালিত অভিযানে নগরের কোরবানিগঞ্জ কায়সার নিলুফার কলেজ রোড এবং খলিফাপট্টি ফতেহ আলী রোডের মিন্টুর পানের দোকান এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: পড়ন্ত বিকেলে ট্রাকে করে গাঁজা আনছিল ২ যুবক

আটকরা হলেন- কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার নবীপুর এলাকার মৃত খাদেম আলীর ছেলে মো.ইব্রাহিম খলিল (৫২), কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানার গাংচর এলাকার মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে মো.আবু তাহের (৪০), একই এলাকার মৃত জহুর আলীর ছেলে মো.হারুন (৩৫), মৃত ফজলুল হকের ছেলে মো. জসীম (৩৮), নোয়াখালী জেলার সুধরাম থানার জগতপুর এলাকার মৃত ওমর ফারুকের ছেলে আব্দুর রহমান সোহেল (২৭), কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার নবীপুর এলাকার মৃত কাজেম আলীর মেয়ে নাছিমা বেগম (৪৩)।

পুলিশ জানায়, গত ১৮ নভেম্বর রাতে গোপন সংবাদে খাতুনগঞ্জের হাজী মোনাফ মার্কেটের চতুর্থ তলায় অভিযান চালিয়ে মো. ইব্রাহিম খলিল (৫২), মো. আবু তাহের (৪০) ও মো. হারুনকে (৩৫) আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তিতে একটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে প্যাকেট ভর্তি সাড়ে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

Thai Food

এদিকে ২০ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে কোরবানীগঞ্জের কায়সার নিলুফার কলেজের সামনে থেকে মো. জসীমকে (৩৮ ) আটক করা হয়। পরে স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাকে সঙ্গে নিয়ে খলিফাপট্টি ফতেহ আলী বাই লেইন মিন্টুর পানের দোকানের পিছনে আব্দুর রহমান সোহেল ভাড়া বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আব্দুর রহমান সোহেল (২৭), মো. জসীম ও নাছিমা বেগমকে (৪৩) আটক করা হয়। এ সময় সোহেলের দেওয়া তথ্যে জসীম ও নাছিমার কাছ থেকে প্যাকেটে মোড়ানো ৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: পাইকারি দরে ইয়াবা ও গাঁজা কিনত ৫ যুবক

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাছিমা বেগম জানায়, কুমিল্লা থেকে গাঁজা এনে আব্দুর রহমান সোহেলের বাসায় রেখে জসীম ও সোহেলের মাধ্যমে নগরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নেজাম উদ্দীন আলোকিত চট্টগ্রামকে বলেন, আটক ৬ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা কুমিল্লা থেকে বিশেষ কৌশলে গাঁজা এনে লোক নিয়োগ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ এবং খুচরা বিক্রি করতেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আটক ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে ১টি মামলাও মো. হারুনের বিরুদ্ধে বাকলিয়া, কোতোয়ালী ও পাঁচলাইশ থানায় ৫টি মামলা এবং নাছিমা বেগমের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় মাদকের ১টি মামলা রয়েছে।

আরবি

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm