অবশেষে দখিন হাওয়ায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির ৭ নেতা। প্রত্যাহার হয়েছে ওই ৭ নেতার বহিষ্কারাদেশ।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া ও সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাঁদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং সাংগঠনিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে জারিকৃত অব্যাহতি আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক দল। যারা ভুল করেছে, অনুতপ্ত হয়ে দলে ফিরে আসতে চায় তাদের জন্য দল সবসময় মানবিক ও উদার। তবে ভবিষ্যতে কেউ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলে ফিরে আসা নেতারা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে আমরা আশা করি।
সুখবর পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক সুজন, আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য রেজাউল করিম রেজা মুন্সী, সারোয়াতলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি জহির আহমদ চৌধুরী, সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ রহিম, কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন জুয়েল, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কবিয়াল মোহাম্মদ আবু ইউচুপ এবং চন্দনাইশ উপজেলার ধোপাছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মুজিবুল হক খোকা (মেম্বার)।
এদিকে দলে ফেরার অনুভূতি প্রকাশ করে পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কবিয়াল মোহাম্মদ আবু ইউচুপ বলেন, দলের সিদ্ধান্তে আমি কৃতজ্ঞ। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে বিএনপির আদর্শ বাস্তবায়নে ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সর্বোচ্চভাবে নিয়োজিত রাখবো।
অভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক সুজন বলেন, দল আমাকে আবার আপন করে নিয়েছে এটাই আমার জন্য বড় প্রাপ্তি। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপিকে শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবো।
আলোকিত চট্টগ্রাম
